ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য নতুন বাড়ি উপহার দিলো তুরস্ক

এলাজিগের ভুমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য নতুন বাড়ীর চাবি উপহার দিয়েছেন তুরুস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়েব এরদোয়ান।

এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এরদোয়ান বলেন, আমরা খুব দ্রুততর সময়ে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর বাড়ী নির্মাণ করেছি যাতে দুঃখ ও কষ্ট লাঘব হয়।

যাতে খুব সহজেই শোককে পাশ কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন শুরু করা যায়।

মন্তব্যঃ- ক্ষতিগ্রস্তদের নতুন বাড়ি উপহার, একটি জনকল্যাণকর রাষ্ট্রের উদাহরণ।

পৃথিবীর অন্যতম বড় শক্তিতে পরিণত হতে যাচ্ছে তুরস্ক!

তুরস্ক খুব শিগগির প্রতিরক্ষা খাতের বড় শক্তিতে পরিণত হতে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রযুক্তি ও শিল্পমন্ত্রী মুস্তাফা ভারানাক। বৃহস্পতিবার ইস্তাম্বুল ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেস ও ইস্তাম্বুল চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রির যৌথভাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি।

মুস্তাফা ভারানাক বলেন, গত পাঁচ বছর এই খাতে বিনিয়োগের ফলে বর্তমানের এই অবস্থানে পৌঁছেছে তুরস্ক। তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি তুরস্কের বায়রাকতার ও আনকার মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ড্রোন) ইউরোপের আকাশে উড়বে।’

এ সময় তিনি ব্রিটেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেসের মন্তব্য স্মরণ করেন। তুর্কি ড্রো’নকে ‘গতি-পরিবর্তনকারী’ হিসেবে মন্তব্য করেছিলেন তিনি।গত বছর বৈ’শ্বিক প্রতিরক্ষা ব্যায় দুই ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়ানোর মধ্যে তুরস্কের প্রতিরক্ষা ও বিমান খাতে রাজস্বের পরিমাণ বার্ষিক ১২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে বলে জানান তুর্কি প্রযুক্তি ও শিল্পমন্ত্রী।

তিনি জানান, ২০০৫ সালে প্রতিরক্ষা খাতে রফতানির পরিমাণ ৩৪০ মিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে গত বছর তিন বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। দিন দিন প্রতিরক্ষা শিল্প স্থানীয় উৎপাদনের দিকে ঝুঁকছে মন্তব্য করে মুস্তাফা ভারানাক বলেন,

২০২৩ সালের মধ্যে তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্পের ৭৫ ভাগই স্বনির্ভর হবে।তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্প দফতরের প্রধান ইসমাইল দেমির অনুষ্ঠানে জানান, দেশটি তার প্রতিরক্ষা খাতের বড় একটি অংশ দেশীয় উৎপাদিত কাঁচামাল থেকেই মিটিয়ে থাকে।তিনি বলেন, ২০২৩ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা শিল্প ২৭ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব, ১০ বিলিয়ন ডলার রফতানি ও ৮০ হাজার কর্মী নিয়োগের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।