পর্তুগালে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে দৃষ্টিনন্দন নতুন মসজিদের উদ্বোধন

পর্তুগালে বাংলাদেশি কমিউনিটির মাধ্যমে নতুন একটি মসজিদের উদ্বোধন করা হয়েছে। পর্তুগালের রাজধানীর অদূরে জনপ্রিয় পর্যটন এলাকা কাসকাইশে এ মসজিদের যাত্রা শুরু হয়।

কাসকাইশ পর্তুগালের একটি ছোট পর্যটন নগরী। সমুদ্রসৈকত থাকায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রতিবছর লাখ লাখ পর্যটক বেড়াতে আসেন এ নগরীতে। ফলে বাংলাদেশি কমিউনিটির ব্যবসায়ীদের ব্যবসা–বাণিজ্যে ধীরে ধীরে উন্নতি হয়েছে। কিন্তু সেখানে কোনো মসজিদ ছিল না। সে কারণে মসজিদ কমিটির অক্লান্ত পরিশ্রমে একটি নতুন মসজিদ বানানো হয়েছে। সম্প্রতি মাগরিবের আজান এবং নামাজ পড়ার মধ্য দিয়ে মসজিদটির যাত্রা শুরু হলো।

এ ব্যাপারে কাসকাইশ মসজিদের ইমাম আবদুল ফাত্তাহ জানান, আমরা কাসকাইশবাসী এই করোনাকালীন লকডাউনের মধ্যে নতুন মসজিদের উদ্বোধন করেছি।

পর্তুগালে বাংলাদেশি কমিউনিটির তত্ত্বাবধানে রাজধানী লিসবনে দুইটি ও পর্তুতে একটি মসজিদ আছে। এবার কাসকাইশে বড় মসজিদটি যুক্ত হলো। প্রথম আলো

লেখক: পিএইচডি ফেলো, লিসবন বিশ্ববিদ্যালয়

প্রতিদিন ১২শ’ লিটার আতর দিয়ে ধোয়া হয় পবিত্র কাবা শরিফ

চলমান মহামারি করোনার কারণে দীর্ঘ সাড়ে ৭ মাস ওমরাহ বন্ধ থাকার পর ৪ অক্টোবর থেকে প্রথম ধাপে সীমিত পরিসরে তা আবার ওমরাহ শুরু হয়েছে।

ওমরাহ পালনকারী ও মুসল্লিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নিরাপত্তার জন্য বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। প্রতিদিন ৪ হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মী এ কাজে নিয়োজিত। প্রতিদিন স্প্রে করা হয় এক হাজার ২০০ লিটার আতর।

বর্তমানে পবিত্র কাবা শরিফে চলছে দ্বিতীয় ধাপে ওমরাহ পালন। এ ধাপে ওমরাহকারীদের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১ নভেম্বর থেকে তৃতীয় ধাপে বহির্বিশ্বের ওমরাহ পালনকারীদের গ্রহণে সৌদি আরব প্রস্তুত বলেও জানা গেছে।

হারামাইন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, মসজিদে হারামে ওমরাহ আদায়ের লক্ষ্যে আগত মুসল্লিদের আনাগোনা বৃদ্ধি পাওয়ায় এখানের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে যে, মসজিদুল হারামের অভ্যন্তর, বহিরাংশ ও মাতআফসহ পুরো এলাকা পরিচ্ছন্নতায় এবং সুগন্ধি ছিটানোর কাজে ৪ হাজার কর্মী নিয়োজিত। বিশাল এ বহরে পুরুষের পাশাপাশি নারী পরিচ্ছন্নতাকর্মীও রয়েছেন।

বিশাল কর্মী বাহিনী পরিচালনায় ১৮০ জন সুপারভাইজার নিরলস তদারকির কাজ করে যাচ্ছেন।

সুপারভাইজারদের দক্ষ পরিচালনায় তিন শিফটে ভাগ করে ২৪ ঘণ্টা এ সেবা অব্যাহত রাখা হয়েছে। প্রতিদিন কাবা শরিফ তথা পুরো মসজিদে হারাম এলাকা রাতদিন মিলিয়ে ১০ বার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার এ কাজে ডিজিটাল মেশিনে পরিবেশবান্ধব, স্বাস্থ্যসম্মত উন্নত প্রযুক্তির ডিটারজেন্ট এবং জীবাণুনাশকও ব্যবহার করা হয়। সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখতে প্রতিদিন বিভিন্ন দামি ব্র্যান্ডের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি পবিত্র সুগন্ধি ছিটানো হয়

উল্লেখ্য, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পরিচালক জাবের ওদাআনি জানান, পুরো মসজিদে হারাম এলাকা ছাড়াও পবিত্র কাবা শরিফ, মাতআফ, রোকনে ইয়ামেনি, হাজরে আসওয়াদ, মুলতাজেম, হাতিমে কাবা, মাকামে ইবরাহিম, সাফা-মারওয়া পাহাড় সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অব্যাহত রয়েছে।