সকল অপশক্তির মোকাবেলা করে ইসলামের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে : মাওলানা মামুনুল হক

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ভাস্কর্য ইস্যুকে ঘোলাটে করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে একশ্রেণির লোক উঠেপড়ে লেগেছে। ইসলামে ভাস্কর্য বানানোর কোনো সুযোগ নেই। নূনতম কোনো ঈমানদার মূর্তি বা ভাস্কর্য বানানোর পক্ষে কথা বলা সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রতিটি কর্মীকে সকল অপশক্তির মোকাবেলা করে ইসলামের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। এলক্ষ্যে সারাদেশের সকল শাখাকে দাওয়াতী মাসের কর্মসূচি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

তিনি আজ বিকেলে পুরানা পল্টনস্থ দারুল খিলাফাহ মিলনায়তনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্র ঘোষিত দাওয়াতী মাসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ, মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, অফিস ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলনা আজিজুর রহমান হেলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা এনামুল হক মূসা,

সহ-বায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা নিয়ামাতুল্লাহ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা হারুনুর রশীদ ভূঁইয়া, যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা জহিরুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মুমিন, সহ-সাধারণ মাওলানা আতিক উল্লাহ, বায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা মিজানুর রহমান মিসবাহ, ছাত্র মজলিসের সেক্রেটারী জেনারেল মুহাম্মদ উবায়দুর রহমান প্রমূখ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের হাতে সদস্য ফরম পূরণ করে বিপুল সংখ্যক আলেম-ওলামা যোগদান করেন।

আরও সংবাদ

ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে: চরমোনাই পীর

আওয়ার ইসলাম: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহ বিরুদ্ধে চতুর্মূখি গভীর ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। একটি মহল ইসলামপন্থিদের বিরুদ্ধে চক্রান্তে মেতে উঠেছে। ওলামায়ে কেরামকে সরকারের মুখোমুখি দাড় করে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা চরছে।

আজ বুধবার এক বিবৃতিতে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, দেশ, ইসলাম ও মানবতা আজ চরম ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। তাবৎ ইসলামবিদ্বেষী শক্তিগুলো ‘আল-কুফরু মিল্লাতুন ওয়াহিদা’ হয়ে কাজ করছে। তিনি বলেন, ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর স্বার্থে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহŸান জানান।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ ৫০ বছর পর এসে কুতুবল আলম আল্লামা ফজলুল করীম পীর সাহেব চরমোনাই রহ.কে রাজাকার বলে গালি-গালাজ করছে। অথচ বরিশাল অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধা মাত্রই সকলের আশা ভরসার স্থল ছিল চরমোনাই মাদরাসা। চরমোনাই মাদরাসায় মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্প ছিল। দীর্ঘ ৫০ বছল পর কে বা কারা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নামক সংগঠনকে চরমোনাই’র পীর সাহেব রহ. ও মাদরাসার বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিলেন তা আমাদের বুঝে আসে না।

দেশের শীর্ষ ধর্মীয় নেতা ও ওলামায়ে কেরামের বিরুদ্ধে মানহানিকর কথাবার্তা বলে পরিবেশ উত্তপ্ত করে তা জাতিকে কি ম্যাসেজ দিতে চায়? তিনি বলেন, ইসলামের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে ইতিহাসের পরাশক্তি নমরুদ, ফেরাইন, কারুণ, সাদ্দাদ, গৌরগোবিন্দরা রেহাই পায়নি। বর্তমানেও কেউ পাবে না। ওই উগ্রবাদী মহলটিকে এখনই চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় দেশের সম্প্রীতি বিনষ্ট করে দেশকে এরা অনিশ্চয়তার দিকে নিয়ে যাবে।