ঢাকা সফরে সম্মতি দিয়েছেন এরদোয়ান

বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকীর সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় আসার সম্মতি জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। বুধবার (২ নভেম্বর) সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মুস্তফা ওসমান তুরানের সাথে বৈঠক শেষে তথ্যমন্ত্রী এ কথা জানান।।

একই সাথে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ জানান, দু’দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সর্ম্পক ও বঙ্গবন্ধু প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন স্বরূপ তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপন করা হবে এবং ঢাকায় তুরস্কের জাতির জনক কামাল পাশার ভাস্কর্য স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। উভয় দেশেই তুরস্ক সরকার ভাস্কর্য স্থাপন করবে বলে জানান তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আজকে মূলত তুরস্ক রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার সম্পর্ক ঐতিহাসিক। আমরা অনেক কমন ভ্যালু শেয়ার করি এবং কালচারাল ক্ষেত্রেও আমাদের অনেক মিল রয়েছে। আমরা আজকে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে আলোচনা করেছি।

তিনি বলেন, আমরা মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে কিভাবে কালচারাল বিষয় একচেঞ্জ হতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া তুরস্কের ইন্টারন্যাশনাল চ্যানেল আছে৷ যেটি ইংলিশ, সেখান থেকেও মুজিববর্ষের অনুষ্ঠান সম্প্রচার করার জন্য আমরা আলোচনা করেছি। একইসঙ্গে দুই দেশের জার্নালিস্টদের দিয়ে কিভাবে প্রশিক্ষণ আদান প্রদান করতে পারি সেটি নিয়েও আলোচনা হয়েছে৷

তিনি আরও বলেন, সার্বিকভাবে শুধু মুজিববর্ষ নয়, আগামী বছর আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ৫০ বছর পূর্তি, সে উপলক্ষেও কিভাবে আমরা মিডিয়া ও জার্নালিস্টদের প্রশিক্ষণ আদান প্রদান করতে পারি সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।
এ বছরে ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে মুজিব বর্ষের ক্ষণ গননা শুরু হয়।

আরো পড়ুন-জার্মান শহরে মাইকে ‘আজান নিষিদ্ধের’ মামলায় জয়ী হলেন মুসলিমরা!

জার্মানির একটি শহরে মাইকে আজান দেয়া নিষিদ্ধ করার দাবিতে স্থানীয়দের করা মা’মলায় জয় পেয়েছেন মুসলিমরা। টানা পাঁচ বছরের আইনি লড়াই শেষে বুধবার মা’মলাটি খারিজ করে দিয়েছেন জার্মান আদালত

জার্মানির একটি শহরে মাইকে আজান দেয়া নিষিদ্ধ করার দাবিতে স্থানীয়দের করা মা’মলায় জয় পেয়েছেন মুসলিমরা। টানা পাঁচ বছরের আইনি লড়াই শেষে বুধবার মা’মলাটি খারিজ করে দিয়েছেন জার্মান আদালত।

ফলে, এখন থেকে শহরটিতে মাইকে আজান দিতে আর কোনও বাধা থাকল না। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ২০১৫ সালে জার্মানির উত্তর রাইন-ওয়েস্টফালিয়া অঙ্গরাজ্যের ওর-এরকেনশিক শহরের বাসিন্দারা আজানের সময় মাইক ব্যবহারের বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগ দায়ের করেছিলেন।

মসজিদ থেকে ৯০০ মিটার দূরে বসবাসকারী একটি পরিবারের অভিযোগ ছিল, আজানের শব্দে তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হচ্ছে। কিন্তু পরিবারটির এ দাবি খারিজ করে দিয়েছেন জার্মান আদালত।

রায় ঘোষণায় বিচারক বলেছেন, অন্যরাও ধর্মীয় চর্চা করবে এটা প্রতিটি সমাজকে অবশ্যই মানতে হবে। যতক্ষণ কাউকে ধর্মচর্চায় জোর করা হচ্ছে না, ততক্ষণ অভিযোগ জানানোর কোনও সুযোগ নেই।