হুজুররা দিনে পাঁচবার ওজু করেন, তাই করোনায় মারা যান না: ড. মাহফুজুর রহমান

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতিতে হুজুররা কেন মারা যাচ্ছেন না; গবেষণা করে তার উত্তর পেয়েছেন বেসরকারি টেলিভিশন এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান। হুজুররা পাঁচবার ওজু করেন বিধায়, করোনায় তাদের প্রাণ যাচ্ছে না বলে ধারণা করছেন তিনি!

গতকাল রোববার করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় ‘গণমাধ্যম ও বেসরকারি হাসপাতালের ভূমিকা’ শীর্ষক এক সেমিনারের আয়োজনে নিজের গবেষণা ব্যাখ্যা করেন ড. মাহফুজুর রহমান।

এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান বলেন, ‘করোনার সময়ে ডাক্তাররা অনেক মারা গেছেন। কিন্তু একজন হুজুর যে শতশত মানুষকে নিয়ে নামাজ পড়ছেন; এমন কেউ কী মারা গেছেন? আমার জানা নেই। করোনায় কোনো হুজুর মারা গেছে আমি এখন পর্যন্ত কোনো মিডিয়াতে পাইনি।’

কারন কী? এ বিষয়ে ড. মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘এর কারণ হচ্ছে, একজন হুজুর দিনে পাঁচবার ওজু করেন। এর ফলে তার সারা শরীর পরিষ্কার করতে হয়। ওজু কতটা ইফেক্টিভ করোনা প্রতিরোধে তা আপনারা বিবেচনা করুন।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডাক্তার এবিএম আবদুল্লাহ, বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

আরও সংবাদ

হেফাজতে ইসলাম মোকাবিলায় প্রয়োজনে ২০১৩ সালে ফিরে যাবঃ মায়া

সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, বর্তমান সময়ে হেফাজতে ইসলাম আবারও ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। ভাস্কর্য ও মূর্তি এক জিনিস নয়, এটা হেফাজত বুঝতে চায় না। আমরাও বুঝতে চাই না, বোঝাতে চাই না, প্রয়োজনে ২০১৩ সালে ফিরে যেতে চাই। আমরা হেফাজত মোকাবিলায় একবার পরীক্ষা দিয়েছি আবার প্রয়োজনে নিজেদের ঝালিয়ে নিতে চাই।

আজ সোমবার (৩০ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে প্রয়াত মেয়র মোহাম্মদ হানিফের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এ মন্তব্য করেন।

সাবেক মন্ত্রী বলেন, আপাতত হেফাজত নিয়ে আমাদের মাথা ঘামানোর দরকার নেই, আমরা তাদের মোকাবিলা করতে জানি। আমরা ২০১৩ সালে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছি, এখন প্রয়োজন নিজেকে আরও একবার ঝালিয়ে নেয়া।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এমপি বলেন, ১৯৯৪ সালের অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে বিজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছিল। সে সময়ে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ পুনর্গঠনে মেয়র হানিফ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এছাড়া মহানগরে ফোয়ারা নির্মাণ থেকে শুরু করে মাতৃসদন নির্মাণ, বনায়ন কর্মসূচি, পুনর্বাসন কেন্দ্র নির্মাণ ও নারী শিক্ষা বিস্তারে মহিলা কলেজ নির্মাণসহ নানামুখী উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন।

মায়া আরও বলেন, মেয়র হানিফের রাজনীতির হাতেখড়ি বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে হয়েছে। তিনি সততার সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একান্ত সচিবের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

বঙ্গবন্ধু একাডেমির সভাপতি নাজমুল হকের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভা পরিচালনা করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির। এ সময় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুরাদ হাসান, আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দার, এম এ করিম, যুবলীগ নেতা ও সাংবাদিক মানিক লাল ঘোষ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সূত্রঃ জাগো নিউজ২৪