হালাল ভালোবাসা এত সুন্দর আগে ভাবিনি : সানা খান

বলিউডের রঙিন দুনিয়া ছেড়ে ধর্মের পথে এসেছেন অভিনেত্রী সানা খান। গত মাসে বিনোদন জগৎ ত্যাগের ঘোষণা দেন। সম্প্রতি বিয়ে করেছেন মাওলানা অনস খানকে। বিয়ের পর তিনি বলেছেন, ‘হালাল ভালোবাসা এত সুন্দর আগে ভাবিনি।’ খবর ভারতীয় গণমাধ্যমের।

শোবিজ জগত ছেড়ে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে তিনি জানিয়েছিলেন, তিনি মানবতার সেবা করবেন এবং তার স্রষ্টার আদেশ মেনে চলবেন।

বিয়ের পর ভালোবাসায় ডুবেছেন সানা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে স্বামীর সঙ্গে ছবি পোস্ট করে লিখেছেন,‘কখনো ভাবিনি হালাল ভালোবাসা এত সুন্দর হতে পারে। তোমায় বিয়ে করার পর অনুভব করেছি। সব হালাল কাজেই পুণ্য হয়।’

তার আগে ইনস্টাগ্রামে মেহেদি পরা হাতের ছবি দিয়েছিলেন সানা। সেখানে ক্যাপশনে লিখেছিলেন,‘আমার ভালোবাসা পবিত্র না হলে এত চড়া মেহেদির রং আসত না।’

সাদা গাউনে একাধিক ছবিও শেয়ার করেছেন সানা। ছবি দেখে বোঝাই যাচ্ছে, স্বামীর সঙ্গে চুটিয়ে সংসার করছেন তিনি।

সানা এটাও লিখেছেন, আল্লাহর জন্যই একের অপরকে ভালবেসেছেন। আল্লাহর জন্য বিয়েও করেছেন। এই দুনিয়ায় আল্লাহ আমাদের একসঙ্গে রাখুন। জান্নাতেও যেন আবার মিলিয়ে দেন।

অভিনেত্রী সানা খান প্রাথমিকভাবে মডেলিংয়ের মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন এবং পরবর্তীতে বিজ্ঞাপনচিত্র ও পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে মিডিয়াতে প্রবেশ করেন। এছাড়াও তিনি দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রে, টিভি কর্মাশিয়াল ও টেলিভিশন রিয়েলিটি শোতে কাজ করেছেন। সানা ৫টি ভাষায় ১৪টি চলচ্চিত্রে এবং ৫০টির মত বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন।

আরও সংবাদ

মূর্তি স্থাপন ও ইসলামী রাজনীতি বন্ধের ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবে না : আল্লামা আতাউল্লাহ

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন আমীর আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী বলেছেন, খেলাফত শাসনব্যবস্থা না থাকায় দেশে খুন, নারী নির্যাতন ও ধর্ষন, দুর্নীতি, জুলুম-নির্যাতনের সয়লাব চলছে। দেশে বাহ্যিক উন্নয়নের অন্তরালে নৈতিকতার চরম বিপর্যয় ঘটছে। ভাস্কর্যের নামে মুসলিম অধ্যুসিত বাংলাদেশের মোড়ে মোড়ে মূর্তি স্থাপন, ইসলামী রাজনীতি বন্ধ করতে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। আন্দোলনরত ওলামায়ে কেরাম ও তৌহিদী জনতাকে হয়রানী করা হচ্ছে। ভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপন ও ইসলামী রাজনীতি বন্ধের ষড়যন্ত্র ধর্মপ্রাণ জনতা কখনো বরদাশত করবে না। সব ধরনের ষড়যন্ত্রের মোকাবেলায় খেলাফত আন্দোলনের প্রতিটি কর্মী জনগণকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে। তাগুতি শক্তিকে পরাভূত করে ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, খেলাফত শাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে ইনসাফ ও ন্যায় বিচার বিশ্ববাসিকে উপহার দিয়ে গেছেন তাতে মুসলমানসহ সকল ধর্মের মানুষের ন্যায্য অধিকার রয়েছে। তিনি আরো বলেন, আল্লাহর জমিনে আল্লাহর আইন-ই চলবে। আল্লাহর আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে কুরআন সুন্নাহর শাসন কার্যকর করতে হবে।

আজ (২৯ নভেম্বর) রবিবার, সকালে রাজধানী ঢাকার কামরাঙ্গীরচর জামিয়া নুরিয়া মাদরাসা ময়দানে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের ৩৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে কালিমা, জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দলের প্রতিনিধি সম্মেলনে সভাপতির ভাষনে তিনি এসব কথা বলেন।

এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা সোলাইমান নোমানী, মাওলানা ইসমাঈল বরিশালী, মাওলানা হাজী ফারুক আহমাদ, মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, মাওলানা আব্দুর রহমান খান তালুকদার, মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, মাওলানা আব্দুল মান্নান, মাওলানা সাঈদুর রহমান, মাওলানা ইউসুফ সাদেক হক্কানী, মাওলানা মীর ইদরীস,

হাজী জালাল উদ্দিন বকুল, মাওলানা ফিরোজ আশরাফী, মুফতি সুলতান মহিউদ্দিন, আলহাজ আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সি, এডভোকেট লিটন চৌধুরী, মাওলানা সানাউল্লাহ, ডা: নেয়ামত আলী ফকীর, মাওলানা সাইফুল ইসলাম সুনামগঞ্জী, এডভোকেট আব্দুল আজীজ মোমেনশাহী, মাওলানা গাজী ইউসুফ ফেনী, মৌলভী আব্দুল রকীব নেত্রকোনা,

মাওলানা শেখ সাদী নারায়ানগঞ্জ, মুফতি আব্দুল আজীজ চট্রগ্রাম, মাওলানা শিহাবউদ্দিন কাসেমী গোপালগঞ্জ, মাওলানা খোদাদাদ, মাওলানা আব্দুল লতীফ সিরাজী, মাওলানা জুনায়েদ আহমাদ কাটখালী, মাওলানা জিয়াউল হক শহিদী, মুফতি মোর্শারফ হোসাইন নরসিংদী, মুক্তিযোদ্ধা মাসুদুল হক ও মাওলানা হাসান ফারুক প্রমুখ।

প্রতিনিধি সম্মেলন শেষে মজলিসে শুরার অধিবেশনে মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জীকে আমীর (চেয়ারম্যান) ও মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজীকে মহাসচিব পূনঃনির্বাচিত করা হয়।

মহাসচিব মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী বলেন, ইসলাম, কুরআন-হাদিস ও মহানবী সা. কে নিয়ে নাস্তিক্যবাদীরা অপমানজনক ব্যঙ্গ চিত্র প্রদর্শনের দু:সাহস দেখাচ্ছে। যে কোন মূল্যে তাদের প্রতিহত করতে হবে। খেলাফত প্রতিষ্ঠার লক্ষে তাওহিদী জনতাকে নতুন করে জাগ্রত করতে হবে। তিনি দল-মত নির্বিশেষে সকলকে এক ও নেক হয়ে ঐক্যবদ্ধ ভাবে খেলাফত প্রতিষ্ঠার লক্ষে কাজ করে যাওয়ার আহবান জানান।