মুসলমানদের আচরণে মুগ্ধ হয়ে উৎপল কুমারের ইসলাম গ্রহণ

ঈশ্বরদীতে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন উৎপল কুমার নামে এক যুবক। মঙ্গলবার বিকেলে তার নিজ গ্রাম ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া ইউনিয়নে মসজিদ গলিতে সনাতন (হিন্দু) ধর্মের অনুসারী থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার করেছেন।

আদালতে হলফনামা অনুযায়ী তার আগের পরিচয় ছিল, উৎপল কুমার, বাবার নাম মৃত মন্টু চন্দ্র সরকার ও মায়ের নাম শ্রীমতি অলোকা এবং গ্রাম মসজিদ গলি মোড় দাশুড়িয়া, ঈশ্বরদী, পাবনা। বর্তমানে তিনি তার নাম পরিবর্তন করে রেখেছেন মো: আজমির হোছাইন আলো।

আজমির হোছাইন আলো ওই হলফনামায় উল্লেখ করেন, আমি যেখানে বসবাস করি সেখানে বেশিরভাগ মানুষ ইসলাম ধর্মের অনুসারী। ইসলাম ধর্মের প্রতিটি উৎসব পালন ও তাদের আচার-আচরণ আমাকে মুগ্ধ করে। এই ধর্মের বইপুস্তক পড়ে আমার মহান আল্লাহ ও তার রাসূলের প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস জন্মায়। আমি আগে থেকে গোপনে ইসলাম ধর্মের আচার-আচরণ ও আনুষ্ঠানিকতা অনুসরণ করে আসছি।

হিন্দু ধর্মের রীতিনীতি থেকে ইসলাম ধর্ম আমার কাছে বেশি ভালো লাগায় আমি গত ১২ নভেম্বর ২০২০ তারিখে একজন আলেমের কাছে গিয়ে ইসলামের কালেমা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ’ পাঠ করে ইসলাম গ্রহণ করি।

এ বিষয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, কেউ আমাকে জোর জবরদস্তি বা প্রলুব্ধ করে নাই। আমি ইচ্ছাকৃতভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আমার ধর্ম পরিবর্তনে কে কি বললো এটাতে আমার যায় আসে না। আমি চিন্তা ভাবনা করে এসেছি। আমি মনে করি সচেতন মানুষ হিসেবে সকলের উচিত ইসলামের ছায়াতলে আসা।

তিনি স্থানীয় মুলাডুলি ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জামালকে ধন্যবাদ জানান, যিনি তার এই সিদ্ধান্তে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন।

আরো সংবাদ

পাকিস্তানে ইনজেকশন দিয়ে ধর্ষকের পুরুষত্ব কেড়ে নেয়ার আইন পাস

ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হলেই ধর্ষককে রাসায়নিক ইনজেকশন দিয়ে তার পুরুষত্ব হরণ করা হবে, পাকিস্তানের সংসদ এই মর্মে আইন পাস করেছে। এতে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানেরও অনুমোদন মিলেছে। খবরটি দিয়ে পাকিস্তানের অন্যতম প্রধান টিভি নিউজ চ্যানেল জিও টিভি জানিয়েছে, দেশে ক্রমবর্ধমান যৌন নিগ্রহ ও ধর্ষণের ঘটনা রুখতে সরকার বাধ্য হচ্ছে এই ব্যবস্থা নিতে। এ ব্যাপারে চিকিৎসা বিজ্ঞানের যে প্রথার সাহায্য নেয়া হচ্ছে তার নাম ক্যাস্টাসইজেশন।

এই প্রথায় রাসায়নিক ইনজেকশন প্রয়োগ করে চিরতরে পুরুষত্ব বিলোপ করা যায়। বহু দেশে নাবালিকা ধর্ষণের শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকলেও পাকিস্তানের নেয়া এই সাজা গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠতে পারে।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানে তেহরিক ই ইনসাফ সরকারের আমলে ধর্ষণ ও যৌন নিগ্রহের ঘটনা বেড়ে গেছে। পাকিস্তানের আইনসভায় দীর্ঘ বিতর্কের পর সিদ্ধান্তটি গৃহীত হয়েছে বলে জানিয়েছে জিও টিভি। ২০১৮ সালের একটি ধর্ষণের ঘটনা থেকেই আজকের এই সিদ্ধান্ত।