স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী করোনা আক্রান্ত

করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীনও ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন।

রোববার (১৫ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফ মাহমুদ অপু সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

এদিকে, মহামারি করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬ হাজার ১৯৪ জন। এছাড়া করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে আরও ১ হাজার ৮৩৭ জনের দেহে। এ নিয়ে মোট শনাক্ত হলো ৪ লাখ ৩২ হাজার ৩৩৩ জন করোনা রোগী।

রোববার করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংস্থার অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা সাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ দিন সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৬৯৩ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৫৪২ জন।

এদিকে, বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে এখনও বিপর্যস্ত পৃথিবী। এ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৫ কোটি ৪৩ লাখ ১৮ হাজার ছাড়িয়েছে। আর এ মহামারিতে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১৩ লাখ ১৮ হাজার।

আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক; তথ্য-প্রমাণ যোগাড় করছে পাকিস্তান

সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণ তুলে ধরার কাজ শুরু করেছে পাকিস্তান। সম্প্রতি ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে বড় ধরনের সামরিক সংঘর্ষের পর নয়াদিল্লির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে পাকিস্তান এসব তথ্য প্রমাণ উপস্থাপনের চেষ্টা করছে।

পাকিস্তানের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, সাম্প্রতিক সংঘর্ষে ভারতীয় সেনাদের মর্টার এবং রকেটের হামলায় পাক সীমান্তের কয়েক ডজন বেসামরিক ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ভারতীয় বাহিনীর হামলায় একজন পাকিস্তানী সেনা ও পাঁচজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। এছাড়া, পাকিস্তানের আর ৩৩ ব্যক্তি আহত হয়।

ভারতীয় বাহিনীর হামলার জবাবে পাকিস্তানি সেনারা গুলি চালিয়েছে এবং ভারতের পাঁচ সেনা নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। ভারত বরাবর কাশ্মীর অঞ্চলে স্বাধীনতাকামী যোদ্ধাদের সমর্থন দেয়ার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে আসছে।

তবে এবার ভিন্ন ঘটনা ঘটছে। পাকিস্তান বলছে, ভারত আগে আগ্রাসন চালিয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইসলামাবাদ বলছে, নয়াদিল্লি পাকিস্তান সীমান্তের কাছাকাছি ৮৭টি সন্ত্রাসী ক্যাম্প প্রতিষ্ঠা করেছে। এরমধ্যে ২১টি ভারতে এবং ৬৬ আফগানিস্তানের ভেতরে।