সোনাইমুড়ীতে স্কুল ছাত্রীকে শ্লীলতাহনীর অভিযোগে থানায় মামলা

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে এক স্কুল ছাত্রীকে শ্লীলতাহানীর অভিযোগে সোনাইমুড়ী থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলার ৪ দিন পেরিয়ে গেলেও অভিযুকক্তকে আটক না করায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পরিবার।

গত (৩ জুন) বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় সোনাইমুড়ী উপজেলার ১নং জয়াগ ইউনিয়নের মাহুতোলা গ্রামের এ ঘটনা ঘটে।

মামলার অভিযোগে সূত্রে জানাযায়, মাহুতোলা গ্রামের (মাইজের বাড়ীর) প্রবাসী আনোয়ার হোসেনের মেয়ে সালমা(ছন্দনাম) (১৫) স্থানীয় থানার হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। প্রায়সে স্কুলে এ্যাইন্টমেন্ট জমা দিতে স্কুলে আসা যাওয়ার সময় তাকে যৌন হয়রানি করে একই গ্রামের মুন্সি মিয়ার পুত্র। ৪ নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার কাজী বাহাদুরের ছোট ভাই মাসুদ(২৬)।

ঘটনার দিন ঐ স্কুল ছাত্রী স্কুলে এ্যান্টমেন্ট জমা দিয়ে স্কুল থেকে ফেরার পথে থানার হাট বাজারের পূবালী ব্যাংকের সামনের রাস্তার ওপর মাসুদ তার পথ গতিরোধ করে তাকে অনৈতিক কাজের প্রস্তাব দেয় এতে স্কুল ছাত্রী প্রতিবাদ করলে সে তার শরীর স্পর্শ কাতর স্থানে হাতাহাতি করে এবং তার পরিহিত বোরকা ছিঁড়ে পেলে। তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে মাসুদ ছাত্রীকে কিলঘুষি মেরে ব্যবহারিত মোবাইল ফোনটি চিনিয়ে নিয়ে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা মেয়েটিকে বাড়ীতে নিয়ে গেলে মেয়েটির মা নেহার আক্তার পারভিন তাকে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সোনাইমুড়ি থানায় নারি ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন।

মামলার ৪ দিন পেরিয়ে গেলেও আসামি গ্রেফতার না করায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পরিবারটি। মামলার বাদী স্কুল ছাত্রীর মা নেহার আক্তার পারভিন আরো বলেন, “মাসুদের ভাই স্থানীয় মেম্বার হওয়ায় সে আমাদেরকে হুমকি ধমকি দিচ্ছে এবং তার ভাইকে সেভ করার চেষ্টা করছে, আমরা এর সঠিক বিচার চাই।”

অভিযুক্তের বড় ভাই ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার কাজী বাহাদুর বলেন “আমার ভাই অনেক ভালো তারা আমার ভাইকে ফাঁসাতে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে বিষটি আমি শুনিনি পরে শুনতে পাইছি, আমি কোন প্রভাব খাটাইনি, সে অপরাধী হলে মামলা হোক সেটা আমরা বুঝবো।

জয়াগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত আকবর পলাশ বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি,আমরা চাই সে অপরাধী হলে তার সঠিক বিচার হোক। তিনি আরও বলেন এসব বিষয় থানার কাছে থেকে আমাদেরকে কেউ জিঞ্জেস ও করেনি। বাহাদুর মেম্বার হিসেবে ব্যার্থ।

সোনাইমুড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন “মামলা হয়েছে আসামি এলাকায় নেই, আসামিকে ধরার চেষ্টা চলছে।