তারাবির নামাজ পড়া হলো না রাজু’র

আরেফিন রাজু (২৪)। স্থানীয়ভাবে ইলেকট্রিক কর্মের সঙ্গে জড়িত। ইফতারি করে মাগরিব নামাজও পড়েন তিনি। রায়পুর শহরে কাজ শেষে বাড়িতে এসে তারাবির নামাজ পড়ার কথা ছিল তার। কিন্তু তার আর তারাবির নামাজ পড়া হলো না।

বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে সড়কে ওঠার সময় আরেকটি মোটরসাইকেল চালককে সাইট দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে পড়েন তিনি। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান আরেফিন রাজু।

রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর-খাসেরহাট সড়কের চরমোহনা ইউনিয়নের কাজির মাদ্রাসা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আরেফিন রাজু চরমোহনা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রিকশাচালক আনোয়ার উল্যার ছেলে। তিনি ওই ওয়ার্ডের যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

পারিবারিক সূত্র জানায়, রাজু বাড়িতে ইফতার ও নিজের বাড়ির মসজিদে নামাজ পড়ে রায়পুর শহরের উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেল নিয়ে রাস্তায় বের হন। বাবা ও মাকে বলে যান বাড়িতে এসে তারাবির নামাজ পড়বেন।

কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রাজু মোটরসাইকেল নিয়ে রাস্তার উঠে। তার পাশাপাশি অন্য একটি মোটরসাইকেল যাচ্ছিল। সাইট দিতে অসাবধানতাবসত নিজের মোটরসাইকেল ব্রেক করেন তিনি। এতে মোটরসাইকেলটি উল্টে গিয়ে আরেফিন রাজু গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক তারেক আজিজ জনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আরেফিনের মৃত্যুর ঘটনা দুঃখজনক। তার মৃত্যুতে উপজেলা যুবলীগের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করছি।

রায়পুর থানার ওসি আবদুল জলিল বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লাশ সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও সংবাদ

স্পিডবোটের সাথে বাল্কহেডের সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ২৬

মাদারীপুরের শিবচরে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে বালু বোঝাই বাল্কহেড ও স্পিডবোর্টের সংঘর্ষে অন্তত ২৬ জন নিহত হয়েছে। পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (৩ মে) সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বাংলাবাজার ফেরীঘাটের ট্রাফিক পুলিশ জানায়, শিমুলিয়া ঘাট থেকে যাত্রী নিয়ে একটি স্পিডবোট বাংলাবাজারের দিকে যাচ্ছিল। কাঁঠালবাড়ি ঘাটের কাছে পৌঁছালে একটি বাল্কহেডের পেছনে ধাক্কা লেগে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ডুবে মারা যান ২৬ জন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস, নৌপুলিশ ও ঘাট কর্তৃপক্ষ। হতাহতদের পরিচয় এখনও মেলেনি।