পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাকে মেরে ফেলার নির্দেশ কিমের

এবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপপরিচালককে মৃ’ত্যুদণ্ডাদেশ দিলেন উত্তর কোরিয়ার সুপ্রিম লিডার কিম জং উন।

পিয়ংইয়ঙের এক সরকারি হাসপাতালের জন্য চিকিৎসা সংক্রান্ত যন্ত্রপাতি সস্তায় চীন থেকে আমদানি করতে চেয়েছিলেন ওই কর্মকর্তা৷

ইউরোপের বদলে চীন থেকে কেন মেডিক্যাল সরঞ্জাম কেনার প্রস্তাবনা দেয়া হলো সে নিয়েই ক্ষিপ্ত কিম জং উন৷

গত ২৩ এপ্রিল এই খবর প্রকাশ করেছে সিওলের দৈনিক এনকে নামের এক সংবাদ মাধ্যম৷ বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস ম’হামা’রির চেহারা নেয়ায় সংকটকালীন প্রস্তুতিতে নতুন হাসপাতাল তৈরি হোক এমনটাই চেয়েছিলেন কিম জং উন৷

তার অনুমতি নিয়েই হাসপাতালের যন্ত্রাংশের প্রস্তাবনা তৈরি হয়েছিলো৷ সেই প্রতিবেদনে লেখা ছিলো এপ্রিলের শেষে চীন থেকে চিকিৎসা সংক্রান্ত যন্ত্রাংশ আসবে৷

এই প্রতিবেদন দেখেই কিম জং উন চটে যান৷ কারণ তিনি চীন নয় ইউরোপ থেকে চিকিৎসার যন্ত্রপাতি আসুক, এমনটাই আশা করেছিলেন৷

ইউরোপে পড়াশোনা করার কারণে কিম জং উন মনে করেন ইউরোপের দেশগুলিতে চিকিৎসা সংক্রান্ত যন্ত্রপাতি অত্যন্ত উন্নতমানের হয়৷

এদিকে চীন থেকে যন্ত্রাংশ আনতে যে সরকারি কর্মকর্তা আগ্রহী হয়েছিলো তাকে ইতোমধ্যেই কিমের নির্দেশে তাঁকে হ’ত্যা করা হয়েছে৷ মৃ’তের বয়স ছিলো ৫০ এর বেশি।

চলতি মাসের শুরুতেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসে যেখানে বলা হয় উত্তর কোরিয়াতে কোনো করোনা আক্রান্ত রোগী নেই৷

দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ও চীনের দিকের দুর্বল সীমান্ত ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনাও হয়েছিলো ওই প্রতিবেদনে৷