করোনাভাইরাস: ভারতে বর্ডারে আটকে পড়েছেন বহু বাংলাদেশি, ফিরতে মরিয়া তারা

করোনায় দিশেহারা ভারত। চিকিৎসকরাও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলছেন, মহামারীর এই সংকট কোনোভাবেই জুন মাসের আগে কমার নয়। মহারাষ্ট্র, দিল্লির পর নতুন ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিবেশী পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যেও।

এদিকে, দু’সপ্তাহের জন্য সীমান্ত বন্ধ হওয়ায় অনেক বাংলাদেশি আটকে পড়েছেন। তবে কলকাতার উপ-হাইকমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আপতকালীন পরিস্থিতিতে সীমান্তে আটকে থাকাদের এনওসি দেয়া হয়েছে।

কোভিড সংক্রমণের মধ্যেও বহু বাংলাদেশি, যারা শুধু চিকিৎসার জন্য এই মুহূর্তে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে রয়েছেন। আবার অনেকেই রয়েছেন পড়াশোনার জন্য। সীমান্ত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আটকা পড়েছেন তারা। করোনা বাড়তে থাকায় উদ্বেগ তাদের মধ্যেও। এছাড়া সামনে রয়েছে ঈদ।

বাংলাদেশ সরকারের ১৪ দিনের জন্য সীমান্ত বন্ধের ঘোষণার আগে অনেকেই সীমান্তের দিকে রওনা হয়েছিলেন।

বর্ডার পার হওয়ায় অপেক্ষায় থাকা বাংলাদেশিরা জানান, অন্তত একদিন আগে বর্ডার বন্ধের ঘোষণা দেওয়া উচিত ছিলো। তাহলে বর্ডারে এসে আমাদের এই ভোগান্তি পোহাতে হতো না।

তবে এই বিষয়ে ক্যামেরার সামনে কোনো কথা বলতে রাজি না হলেও ফোনে সময় সংবাদকে কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের প্রথম প্রেস সচিব জানিয়েছেন, যারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের খবর জানতেন না কিন্তু বাংলাদেশের দিকে রওনা দিয়েছিলেন, তাদের বিশেষ ব্যবস্থায় এনওসি দেয়া হয়েছে।