আল্লাহ রোজাদারের দোয়া ফিরিয়ে দেয় না ইসলাম

আল্লাহ মহান। তাঁর দয়ার কারনেই এই সুন্দর পৃথিবীতে আমাদের প্রিয় নবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) এর আবির্ভাব ঘটেছিল। মুহাম্মাদ (সা) ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন আরাম ও সুখের জীবন। তিনি যেমন সাহসী ও অকুতোভয় ছিলেন, তেমনি ছিলেন কোমল মনের মানুষ। তাঁর ব্যাক্তিত্বের প্রভাবে ইসলামের বিস্তার হয়েছে।

প্রিয় নবী (সা.) আরো ইরশাদ করেন, ‘জান্নাতের আটটি দরজা আছে তার একটির নাম রাইয়ান। কিয়ামতের দিন ওই দরজা দিয়ে শুধু রোজাদাররা প্রবেশ করবে। সেদিন ঘোষণা করা হবে, রোজাদাররা কোথায়? এরপর তারা (রোজাদাররা) ওই দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে।

তাদের সর্বশেষ ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করার পর দরজাটি বন্ধ করে দেয়া হবে। ফলে রোজাদার ছাড়া অন্য কেউ সে দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না।’ বুখারি, মুসলিম।অন্য এক বর্ণনায় এসেছে, ‘যে ব্যক্তি ওই দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে তাকে জান্নাতের বিশেষ পানীয় পান করানো হবে, ফলে সে আর কখনো পিপাসার্ত হবে না।’ মুসনাদে আহমাদ, তিরমিজি, নাসায়ি।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেয়া হয় না (অর্থাৎ কবুল করা হয়)- ১. ন্যায়পরায়ণ শাসকের দোয়া ২. রোজাদারের ইফতারের সময়ের দোয়া ৩. মজলুমের দোয়া।

তাদের দোয়া মেঘমালার ওপর উঠিয়ে নেয়া হয় এবং আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়। তখন আল্লাহতালা ঘোষণা করেন, আমার সম্মানের কসম! বিলম্বে হলেও অবশ্যই আমি তোমাকে সাহায্য করব।’ মুসনাদে আহমাদ, তিরমিজি, ইবনে মাজাহ।