ব্রাজিল আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসবেঃ শচীন টেন্ডুলকার

নিঃসন্দেহে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। ৯০ মিনিটের এই খেলায় খেলোয়াড় এবং দর্শকদের মধ্যে বেশ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আর খেলা মানেই রেকর্ড ভাঙ্গার প্রতিযোগিতা। একজন খেলোয়াড়ের রেকর্ড আরেক খেলোয়াড় ভেঙ্গে দিয়ে নতুন রেকর্ড গড়বে, সৃষ্টি করবে নতুন এক ইতিহাস।

নতুন খবর হচ্ছে, ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ধ্রুপদী লড়াই শেষ। দুই দলের লড়াইয়ে শেষ হাসি হেসেছে লিওনেল মেসি। দীর্ঘ ২৮ বছরের খরা কাটিয়ে আর্জেন্টিনা কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতেছে তার হাত ধরেই। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের লড়াই দেখতে উন্মুখ ছিল গোটা বিশ্ব। বাদ যাননি ক্রিকেটাররাও। ভারতীয় ক্রিকেট দলের কিংবদন্তি, লিটল মাস্টার শচীন টেন্ডুলকারের কথাই ধরা যাক। তিনিও বুঁদ হয়েছিলেন মেসি-নেইমারের খেলায়।

খেলা শেষে তাই কোপা আমেরিকার শিরোপাজয়ী মেসিকে অভিনন্দন জানাতে ভোলেননি। আর্জেন্টাইন এই কিংবদন্তির আনন্দ ছুঁয়ে গেছে তাকে। একদিকে যেমন আনন্দিত হয়েছেন তেমনি নেইমারের কষ্টও ছুঁয়ে গেছে তাকে। আর তাই দুজনকে নিয়েই টুইট করেছেন শচীন।

মেসির মতো দীর্ঘ অপেক্ষার পর ক্রিকেটে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন শচীন টেন্ডুলকার। ২০০৩ সালে ফাইনালে উঠেও শিরোপা জয় করা হয়নি শচীনের। অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল তার। তবে সে আক্ষেপ ঘুচেছিল ২০১১ আসরে। সেবার বিশ্বকাপ জয় করে সব সমালোচনার জবাব দিয়েছিলেন লিটল মাস্টার। তার মতো মেসিও দীর্ঘ অপেক্ষার পর বৈশ্বিক কোনো ট্রফি জিতলেন।

মেসিকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি টুইটে শচীন লিখেছেন, ‘কোপা আমেরিকা শিরোপা জেতা আর্জেন্টিনাকে হৃদয় নিংড়ানো শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। এটা আর্জেন্টাইনদের ঐতিহাসিক জয়। মেসির জন্য এটি দারুণ প্রাপ্তি। এভাবেই সবাইকে প্রেরণা দিয়ে যেও মেসি।’

ফাইনালে পরাজয়ের পর কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন ব্রাজিল তারকা নেইমার। মাঠে তাকে জড়িয়ে সান্ত্বনা দিয়েছিলেন প্রতিপক্ষ বন্ধু মেসি। ম্যাচ হারের পর অনেকেরই সহানুভূতি পেয়েছেন তিনি।

শচীন টেন্ডুলকার তাকে নিয়েও একটি টুইট করেন। তিনি লিখেন, ‘আমি ফাইনাল হারের কষ্ট বুঝি। তবে হেরে যাওয়া মানেই পথের শেষ নয়। নেইমার আর ব্রাজিল ঠিকই আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসবে। ঘুরে দাঁড়াবে ওরা!