গুচ্ছ পেরিয়ে ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটে ও প্রথম চাটখিলের ছেলে সাফওয়ান

মোঃ ইসমাইল হোসেন সজীব
চাটখিল উপজেলা প্রতিনিধি-নোয়াখালীঃ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা প্রথম হয়েছেন নোয়াখালীর চাটখিলের শিক্ষার্থী রাফিদ হাসান সাফওয়ান।

বুধবার (২৪ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় এ ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

সাফওয়ান রাজধানী ডেমরার দারুন্নাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসার ছাত্র। সাফওয়ানের পিতা নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার হীরাপুর আলিম মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মাওলানা রাকিব উদ্দিন ও মাতা হোমিও চিকিৎসক কামরুন নাহার।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটে এবার মানবিক শাখায় প্রথম হয়েছেন রাফিদ হাসান সাফওয়ান। তাঁর মোট নম্বর ১০৫ দশমিক ৫০ (মূল পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে ৮৫ দশমিক ৫০) একই সাথে ঘ ইউনিটের ও সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়ে প্রথম হয়েছে।

ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে প্রথম হয়েছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি কলেজের ছাত্র মো. ইমন হোসাইন। তাঁর মোট নম্বর ১০৩ (মূল পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে ৮৩)।

বিজ্ঞান শাখা থেকে প্রথম হয়েছেন ঢাকা কলেজের ছাত্র নূর-এ-আলম শাফি। তাঁর মোট নম্বর ১০০ দশমিক ৭৫ (মূল পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে ৮০ দশমিক ৭৫)।

১ হাজার ৫৭০ আসনের বিপরীতে এই ইউনিটে এবারের ভর্তি পরীক্ষায় ৮১ হাজার ৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে তিন শাখা মিলিয়ে মোট উত্তীর্ণ হয়েছেন ৭ হাজার ৯৯৪ জন। সে হিসাবে পাসের হার ৯ দশমিক ৮৭।

‘ঘ’ ইউনিট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় একটি সম্মিলিত ইউনিট। এখানে বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক—তিন শাখা থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করা শিক্ষার্থীরাই অংশ নিতে পারেন। একে বিভাগ পরিবর্তন ইউনিটও বলা হয়ে থাকে। এই ইউনিটের মাধ্যমে ১১টি অনুষদ ও ইনস্টিটিউটের ৫৫টি বিভাগে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।

‘ঘ’ ইউনিটের এবারের ফলাফলে বিজ্ঞান শাখা থেকে ৬ হাজার ৭১ জন, ব্যবসায় শিক্ষা থেকে ১ হাজার ৪৮৯ জন আর মানবিক শাখা থেকে ৪৩৪ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। বিজ্ঞান শাখা থেকে ১ হাজার ১১৭ জন, ব্যবসায় শিক্ষা থেকে ৪০০ জন আর মানবিক শাখা থেকে ৫৩ জন এবার এই ইউনিটের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবেন।

সাফওয়ান ভবিষ্যতে দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে নিঃস্বার্থে কাজ করতে পারে এই বিষয়ে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে সাফওয়ানের বাবা প্রভাষক মাওলানা রাকিব উদ্দিন বলেন, সাফওয়ান অত্যন্ত মেধাবী, ভদ্র ও বিনয়ী। তার এই ধারাবাহিক সাফল্যে আমরা অত্যন্ত খুশি। পূর্বে গুচ্ছ পরীক্ষায়ও সাফওয়ান সারাদেশে প্রথম হয়েছিল বলে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে পিতা প্রভাষক মাওলানা রাকিব উদ্দিন।

চাটখিলে বৃদ্ধের আত্মহত্যা

মোঃ ইসমাইল হোসেন সজীব
চাটখিল উপজেলা প্রতিনিধি (নোয়াখালী)

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় নুরুন নবী ( ৬৫) নামের এক বৃদ্ধ নিজ গৃহে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি চাটখিল উপজেলার নোয়াখলা ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামের মৃত আলী আহম্মেদের পূত্র।
শনিবার সকাল ১১টার দিকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্যে নোয়াখালী আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

স্থানীয় লোকজন এবং পুলিশ থেকে জানা যায়, শনিবার ভোর বেলায় ঘুম থেকে উঠে তার পুত্রবধু দেখতে পায় ঘরের আড়ার সাথে দাড়িতে শ্বশুরের ঝুলন্ত মরদেহ। পরে তার চিৎকারে আশ পাশের মানুষ ছুটে আসে। তারপর তারা বিষয়টি পুলিশকে জানালে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যান থানায়।

নুরুন নবীর পরিবারের দাবি, তিনি মানষিক ভারসাম্যহীন ছিলেন এবং বর্তমানে তিনি স্থানীয়ভাবে চিকিৎসারত ও ছিলেন।
খিলপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইকবাল হোসেন ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন পরিবারের অভিযোগ না থাকলেও মরদেহ ময়না তদন্তের জন্যে মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আজও গ্যালারিতে পাকিস্তানের বিশাল একটি পতাকা ওড়াচ্ছেন দর্শকরা

প্রথম ম্যাচে মাত্র ৭ রানেই প্যাভিলিয়নে ফিরেছিলেন নাজমুল হাসান শান্ত। তখনই প্রশ্ন উঠেছিল তার টি-টোয়েন্টি সামর্থ্য নিয়ে। শান্ত জবাবটা দিলেন ব্যাট হাতেই। দলের বিপর্যয়ে একপ্রান্ত আগলে রেখে করেছেন দুর্দান্ত ব্যাটিং; আউট হওয়ার আগে করেছেন ৪০ রান।

শোয়েব মালিককে হাঁটু গেড়ে বসে স্কয়ার লেগের ওপর দিয়ে বাউন্ডারীটি যখন নাজমুল হোসেন শান্ত মারলেন, তখন দুই ওপেনারকে হারিয়ে বিপর্যয়ে বাংলাদেশ দল।

সেখান থেকেই আফিফ হোসেনকে নিয়ে ৪৬ রানের জুটি; রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে উইকেটকিপার মোহাম্মদ রিজওয়ানের গ্লাভসবন্দী হয়ে আফিফ প্যাভিলিয়নে না ফিরলে জুটিটা হতে পারতো আরও বড়।

আফিফ ফিরলেও অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে নিয়ে জুটি গড়ার চেষ্টায় ছিলেন শান্ত, কিন্তু হারিস রউফের বলে কিপারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন রিয়াদও। ২৮ রানের জুটিতে রিয়াদের ব্যাট থেকে এসেছে ১২ রান।

একপ্রান্ত দিয়ে উইকেটের পতন হতে থাকলেও, শান্ত খেলছিলেন একপ্রান্ত আগলে রেখেই। কিন্তু, শাদাব খানের বলে তার হাতেই ক্যাচ দিয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরেছেন শান্ত; বাঁ প্রান্তে ঝাপিয়ে পাকিস্তান স্পিনারের দুর্দান্ত ক্যাচ।

এদিকে, বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে গ্যালারিতে পাকিস্তানের বিশাল একটি পতাকা ওড়াচ্ছেন দর্শকরা।

দেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের সমর্থকদের সেখানেই পাঠিয়ে দেওয়া হোক

করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন পরে আবারও মাঠে দর্শক দেখা গেছে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচের মধ্যে দিয়ে। হোম গ্রাউন্ডে সিরিজ মানেই গ্যালারিতে পরিপূর্ণ থাকে স্বাগতিক দলের দর্শকে।

বাংলাদেশের বেলায়ও এর ব্যতিক্রম নয়। কিন্তু মিরপুরে পাকিস্তোনের বিপক্ষে টাইগারদের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে স্টেডিয়ামের দর্শক উল্লাস দেখে কিছু সময়ের জন্য মনেই হতে পারে, এটা ঢাকা না লাহোর!

হাসান আলী বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে আউট করলে বা শাদাব খান ছক্কা হাঁকালে দর্শকদের উল্লাস দেখে বুঝার উপায় নেই এটা বাংলাদেশের মাঠ নাকি অন্য কোন দেশের মাঠ।

শুধূ তাই নয়, প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মিরপুরের গ্যালারিতে পাকিস্তানি দর্শকদের পাশাপাশি বাংলাদেশি দর্শকদের হাতেও পাকিস্তানের পতাকা দেখা গেছে। বিষয়টি দেখে হৃদয়েও রক্তক্ষরণ হয়েছে হয়েছে কোটি বাঙালির।

এ বিষয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন ক্যান্টনমেন্ট ও খিলক্ষেত ডিএমপির এডিসি ইফতেখায়রুল ইসলাম। স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, একটা বিষয় মাথা থেকে কোনোভাবেই সরছে না,

একটা প্যাথেটিক লুজার কীভাবে বাংলাদেশের মাটিতে বেড়ে উঠে তাঁর পূর্বের পেয়ারা পাকিস্তানিদের পেয়ার মোহাব্বত না ভুলতে পেরে, পাকিস্তানের জার্সি পরিধান করে তাদের সমর্থন করে যায়!

এর কাছে কী দেশ, মুক্তিযুদ্ধ, সংগ্রাম, স্বাধীনতা এসবের কোনোই মূল্য নেই এই আজিব চিড়িয়া যে নিজ দেশের বিপক্ষে অবস্থানকারী পাকিস্তানকে সমর্থন করে, তাকে পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেওয়া গেলে মনে হয় যথোপযুক্ত হতো!

এমনিতে কোনায়, কানায় পাকিস্তানের সমর্থনকারীর সংখ্যাও নেহায়েত কম নয় তথাপি নিজ দেশের বিপরীতে এরকম জঘন্যভাবে হেসে পাকিস্তান সমর্থনকারী এই চিড়িয়ার মুখে এক দলা থু দিয়ে গেলাম!

উপস্থিত সাধারণ জনগণেত কান্না দেখে নিজেও কান্নায় ভেঙে পড়লেন মেয়র জাহাঙ্গীর

আওয়ামী লীগ থেকে আজীবন বহিষ্কার হয়েছেন দলটির গাজীপুর মহানগর সাধারণ সম্পাদক ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি কটূক্তি করে দল থেকে কারণ দর্শানো এ নেতাকে দলের পদ থেকে বহিষ্কারের পাশাপাশি তার প্রাথমিক সদস্যপদও বাতিল করা হয়েছে। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

নতুন খবর হচ্ছে, শনিবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে বাসা থেকে সংবাদ সম্মেলন করার কথা ছিলো।

কিন্তু দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাসার দ্বিতীয় তলা থেকে নিচ তলায় নামেন। তখন উপস্থিত সাধারণ জনগণ ও নেতা-কর্মীদের কান্না দেখে ভেঙে পড়েন তিনি। মেয়রও কান্না করেন। তার কান্না দেখে উপস্থিত লোকজন উচ্চস্বরে কান্না শুরু করেন।

উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বরে গাজীপুরের মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের এক অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ভাইরাল হয়। সেই অডিওতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লক্ষ শহীদ এবং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা নিয়ে তাকে কটু মন্তব্য করতে শোনা যায়।

উপজেলা চেয়ারম্যানের সঙ্গে নারীর অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল

এক নারীর সঙ্গে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদেরের অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এক মিনিটের ওই ভিডিও অনেকের মোবাইল ফোনে গত বুধবার ছড়িয়ে পড়ে।

এছাড়াও বেশ কয়েকটি ফেসবুক পেজেও পোস্ট দেয়া হয় ভিডিওটি। এদিকে ওই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে গেছেন। গত বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) তিনি উপজেলা পরিষদে যাননি।

নাচোল উপজেলায় কাজ করা একাধিক সংবাদ কর্মী আরটিভি নিউজকে জানিয়েছেন, উপজেলা পরিষদের পুরাতন ভবনে একটি কক্ষে ঘটনাটি এক থেকে দেড় বছর আগের হতে পারে। ওই নারী উপজেলার বিভিন্ন প্রশিক্ষনে অংশ নিয়েছিলো। ওই থেকে চেয়ারম্যানের সঙ্গে তার শখ্যতা গড়ে উঠে।

ভিডিওটিতে দুইজনের কন্ঠ শোনা যাচ্ছে, ওই নারীর বাইরেও ওই দিন কক্ষে আরেক নারী ছিলেন। যিনি ভিডিওটি ধারণ করছিলেন। ভিডিও ধারণের বিষয়টি বুঝতে পেরে চেয়ারম্যান আব্দুল কাদেরকে বলতে শোনা যায়, তুমি কি ভিডিও করছ, তখন ওই নারী উত্তর দেন, না, গান আর ছবি দেখছি।

আওয়ামী লীগ নেতা কাদেরের অন্তরঙ্গ ভিডিও চাঁপাইনবাবগঞ্জে টক অব দ্য দাউনে পরিনত হলেও, এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদেরের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মুখ খুলতে নারাজ উপজেলা ও জেলার আওয়ামী লীগের নেতারা।

ধর্মের নামে মুসলিমরা কখনও নৃশংসতা করেনি : কংগ্রেস নেতা

ভারতের ইতিহাসে মোগল শাসকদের ভূমিকার প্রশংসা করে কংগ্রেস নেতা মণিশঙ্কর আইয়ার বলেছেন, মোগলরা কখনো ধর্মের নামে নৃশংসতা করেনি। একই সাথে চলমান বিজেপি সরকারের নীতির তীব্র নিন্দাও জানিয়েছেন এই কংগ্রেস নেতা।

পুরনো কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে কংগ্রেস নেতা বলেন, ‘আমরা আকবরকে নিজেদের বলে মনে করি। তাই আমরা কখনও মহারানা প্রতাপের নাম দিয়ে আকবরের নামে থাকা রাস্তার নাম পরিবর্তনের কথা বলি না। ভারত এমন একটি দেশ যেখানে মুসলিমরা এসেছিল। কিন্তু ভারত মুসলিম দেশ হয়ে যায়নি। ধর্মের নামে মুসলিমরা কখনও নৃশংসতা করেনি।’

একইসাথে পুরনো আদমশুমারি উদ্ধৃত করে মণিশঙ্কর জানান, ১৮৭২ সালে দেশে ৭২ শতাংশ হিন্দু ছিল, ২৪ শতাংশ ছিল মুসলিম। এখনো কম-বেশি এই শতাংশের হারই আছে। তাই মুসলিমদের ওপর জনসংখ্যা বৃদ্ধির অভিযোগ তোলা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

ভারতে মোগল শাসনের প্রশংসা করে কংগ্রেসের এই নেতা জানান, ব্রিটিশ ও মোগলদের মধ্যে বড় পার্থক্য হলো – মোগলরা এই দেশকে নিজেদের মনে করতো। বাবর তার ছেলে হুমায়ুনকে এক চিঠি লিখেছিলেন যেখানে তিনি এদেশের মানুষের ধর্মে হস্তক্ষেপ না করার কথা বলেছিলেন।

বিজেপির প্রতি ক্ষোভ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশে যারা ক্ষমতায় রয়েছেন, তারা শুধু দেশের ৮০ শতাংশ মানুষকে নিয়ে চিন্তা করেন।’ সূত্র : এনডিটিভি

বুটেক্সে প্রথম হলেন মাদরাসা শিক্ষার্থী

শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি লাভ করতে পারে না। শিক্ষার আলোয় আলোকিত ব্যক্তি এবং জাতি সবসময় উন্নতি ও অগ্রগতির শীর্ষে অবস্থান করে। এরূপ শিক্ষিত শ্রেণিই সবসময় নেতৃত্বের আসনে থাকে।

নতুন খবর হচ্ছে, বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ৪ বছর মেয়াদি বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এতে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩ হাজার ১৬ জন। বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়।

এদিকে, প্রকাশিত এই ফলে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন সাদ ইবনে আহমাদ নামে এক ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী। ভর্তি পরীক্ষার রোল নম্বর ১০৭০৩২। তিনি তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিলেন।

জানা যায়, গত শুক্রবার (১২ নভেম্বর) ঢাকার মোট ৬টি কেন্দ্রে (বুটেক্স ক্যাম্পাস, ঢাকা সিটি কলেজ, আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, মোহাম্মদপুর গভঃ কলেজ, বি.এ.এফ শাহীন কলেজ, ও ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ) এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

মোট ৬০০ আসনের বিপরীতে ১৪ হাজার ৯৭৭ জন পরিক্ষার্থী এবারের ভর্তিযুদ্ধে অংশ নেয়। প্র‍তিটি আসনের জন্য প্রায় ২৭ জন শিক্ষার্থী লড়াই করেছে এবার। ভর্তি পরীক্ষায় ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা ছিল। আর সময় ছিল ২ ঘণ্টা।

সংশোধিত ফলাফলে প্রথম হওয়ায় সাদ তার ফেসবুকে বলেন, আলহামদুলিল্লাহ্। বুটেক্সের রেজাল্ট স্থগিতের পরে অনেকেই সান্ত্বনা দিয়েছিলেন। আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দান করুন।কিন্তু আমি নিরাশ হইনি।

জানি মালিক আমার জন্য আরও ভালো কিছু রেখেছেন। সেটা আমি এখন বুঝি। আল্লাহর রহমতে সংশোধিত রেজাল্টে বুটেক্স ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছি। গতকাল প্রকাশিত ইঞ্জিনিয়ারিং গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় ২৬তম হয়েছি। যারা সাপোর্ট দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন ও দোয়া করেছেন সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। সামনের বুয়েট পরীক্ষার রেজাল্টের জন্য অবশ্যই দোয়া করবেন।

দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে সবচেয়ে জঘন্য জার্সি!, সমালোচনার ঝড়

সদ্য সমাপ্ত আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ১৬ দলের মধ্যে সবচেয়ে বাজে ছিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের জার্সি। বিশ্বকাপ পরবর্তী পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরুর আগে আবারো শুরু হলো জার্সি বিতর্ক। এবারের বিতর্ক ছাড়িয়ে গেছে অতীতের সব সীমা।

এ যাবতকালের সবচেয়ে কুৎসিত ও জঘন্য ডিজাইনের জার্সি পরে আজ শুক্রবার পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলতে নামছে বাংলাদেশ দল। তা জার্সির ডিজাইন খারাপ হতেই পারে। এমনটা অনেক দলের ক্ষেত্রেই দেখা যায়। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে জার্সির বিজ্ঞাপনদাতার মানসিকতা ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অনুমোদন নিয়ে।

এদিকে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পৃষ্ঠপোষক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান দারাজ। মাহমুদউল্লাহদের জার্সির বুকে ‘দারাজ’ দুবার লেখা হয়েছে। বিজ্ঞাপনদাতা প্রতিষ্ঠানের নাম জার্সির বুকে সাধারণত একবারই লেখা হয়ে থাকে। কিন্তু এবারের জার্সির নকশায় বুকের মধ্যেই লেখা হয়েছে দুবার। ডান হাতের স্লিপেও আরেকবার ‘দারাজ’ লেখা দেখা যায়।

বাংলাদেশের এবারের জার্সিতে সামনে থেকেই দেখা যাচ্ছে তিনবার পৃষ্ঠপোষক কোম্পানির নাম। বিজ্ঞাপনদাতারা তাদের প্রচার-প্রচারণায় এটা করে নিজেদের শতভাগেরও বেশি স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করেছেন। কিন্তু প্রশ্ন ওঠে বিসিবির মতো দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান কীভাবে এমন জার্সির অনুমোদন দিতে পারে?

এদিকে এই জার্সি উন্মোচনের পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বয়ে যাচ্ছে বিতর্কের ঝড়। নেটিজেনদের একজন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আব্দুন নূর তুষার। ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘রুচিহীন, কুৎসিত ও জঘন‍্য এই বিজ্ঞপ্তিওয়ালা জার্সি বিজ্ঞাপনদাতাদের অখাদ‍্য মানসিকতার প্রকাশ। পারলে শরীরে ট‍্যাটু করতো মনে হয়।’

তাছাড়া নূর কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন বিসিবিকেও। তিনি লিখেছেন, ‘গলার নিচে ডিজাইন দেখেন। শেফ এর এপ্রোন কেটে দিয়েছে মনে হয়। তারচেয়েও জঘন‍্য নয় শ কোটির মালিক (বাংলাদেশ ক্রিকেট) বোর্ড। এই জার্সি তারা কেন গ্রহণ করে? কি বিশ্রীভাবে এখানে স্পন্সরের নাম লেখা। সামনে দুবার? কেন?’

এদিকে নূর প্রশ্ন তুলেছেন বিসিবির পৃষ্ঠপোষক কোম্পানিগুলোর নির্বাচন নিয়েও। বলেছেন, ‘এই প্রতিষ্ঠানের কু-কীর্তির তদন্ত চলছে আর তখনি এটা ক্রিকেটের জার্সিতে। ই-ভ‍্যালিও ছিলো। চুরিমুরির তদন্ত চলা কোম্পানি ছাড়া বোর্ড আর স্পন্সর পায় না। এই কোম্পানি নাকি বে-আইনি গেম কার্ড বেচতো আর বে-আইনি প্রিলোডেড ক্রেডিট কার্ড? কুরুচি টু দ‍্য এক্সট্রিম।’

আরেক লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের জার্সি দেখে মনে হলো কোনো যাত্রাদলের জার্সি। এটা স্রেফ একটা ফাত্রামি।’ আরেকজন ফেসবুকে পোস্ট করেন, ‘বাংলাদেশ দলের জার্সির ডিজাইনার আর সিলেক্টর কারা? তারা জার্সির ডিজাইন কি উন্মুক্ত করে দিতে পারে না? স্কটল্যান্ড ক্রিকেট থেকে শিক্ষা নিতে পারে বিসিবি।’

জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে খালেদা জিয়া কাল অনশন, বিদেশে চিকিৎসা চায় বিএনপি

রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা বেশ উদ্বেগজনক বলেই বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা জানিয়েছেন।

ব্যক্তিগত একজন চিকিৎসক জানান, বেগম জিয়া ‘ডিকম্পেনসেটেড লিভার’ রোগে ভুগছেন। অর্থাৎ তার লিভার প্রায় অকার্যকর অবস্থায় এসে উপনীত হয়েছে।

বিএনপি বলেছে, খালেদা জিয়া জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন। এমন বাস্তবতায় দলের নেতা-কর্মীরা দলীয় নেত্রীর স্বাস্থ্য নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন। তাকে বিদেশে নেয়ার অনুমতি চেয়ে গতকাল বৃহস্পতিবারও সরকারকে আহ্বান জানানো হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড দূতাবাসে যোগাযোগ করা হয়েছে।

বিএনপির নির্ভরযোগ্য সব সূত্রই বলছে, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা খুবই গুরুতর। তিনি বহুরোগে আক্রান্ত। তবে লিভার ও কিডনি রোগে এখন ভোগাচ্ছে বেশি। সাথে হার্টের সমস্যা তো আছেই।

সম্প্রতি তার রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ায় চিকিৎসকরা উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন। গত শনিবার রক্তবমি হওয়ার পর ক্রনিক লিভার রোগে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি ধারণা করা হয়। তাই তার লিভার থেকে তরল নিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে।

তাতে দেখা গেছে, তার লিভার প্রায় অকার্যকর।
চিকিৎসকরা বলছেন, তার রক্তে শর্করা অনেক বেশি। রক্তচাপ ওঠানামা করছে। বয়স হয়েছে ৭৬। এত রোগ, সাথে বয়সÑ এসব বিবেচনায় বাংলাদেশে তার উন্নত চিকিৎসা সম্ভব নয়। এ জন্য দেশের বাইরে নিতে হবে। তাহলে তাকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব।

খালেদা জিয়াকে ‘বাঁচাতে’ উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বিএনপি প্রধান জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন।

একটি সূত্র জানিয়েছে, গত কয়েক দিন ধরেই বিএনপি কিংবা খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে সরকার সংশ্লিষ্টদের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে। কিন্তু বিদেশে নেয়ার অনুমতি তারা পায়নি। তার ওপর বেগম জিয়ার পাসপোর্ট নেই। তার পাসপোর্ট তৈরি হলেও এখনো হস্তান্তর হয়নি।

এমন পরিস্থিতিতেও অনুমতি পাওয়া যেতে পারে এমন সম্ভাবনা থেকে দুইটি দেশের সাথে যোগাযোগ করেছেন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা। গতকাল সংবাদ সম্মেলনের পর সিনিয়র নেতারা বৈঠক করেন। সবাই বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন ছিলেন।

দুপুরে দলের নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে নেতাকর্মীদের বেশ উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলের নেতাকর্মীরা নেত্রীর সুস্থতা কামনায় সবার দোয়া চেয়েছেন।

বিএনপি নেতারা মনে করছেন, তাদের সামনে দু’টি পথ খোলা রয়েছে। একটি হচ্ছে, সরকারের সাথে সর্বোচ্চ নমনীয় থেকে আলোচনার জন্য প্রস্তাব করা, আলোচনায় সাড়া না পেলে শক্ত কর্মসূচি দেয়া।

করোনা শুরুর পর খালেদা জিয়ার পরিবারের আবেদনে তাকে গত বছরের ২৫ মার্চ নির্বাহী আদেশে সাময়িক মুক্তি দেয় সরকার। তবে শর্ত ছিল, তাকে দেশেই থাকতে হবে। ওই আবেদন নিষ্পত্তি হয়ে গেছে বলে নতুন আবেদন করতে হলে খালেদা জিয়াকে কারাগারে ফিরতে হবে বলে যুক্তি দেখান আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

কারাগার থেকে বেরিয়ে খালেদা জিয়া ওঠেন গুলশানের বাসা ফিরোজায়। এরপর করোনায় আক্রান্ত হলে চলতি বছরের মাঝামাঝিতে তিনি প্রায় দুই মাস হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এর চার মাসের মাথায় আবার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল তাকে। ২৬ দিন হাসপাতালে কাটিয়ে বাসায় ফেরার পাঁচ দিন পর গত ১৩ নভেম্বর তাকে আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কাল অনশন কর্মসূচি : আগামীকাল শনিবার বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং তাকে বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে বিএনপির উদ্যোগে ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশের জেলা ও মহানগরে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত গণ-অনশন কর্মসূচি পালিত হবে।
বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে গণ-অনশন কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

গতকাল বিকেলে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব অনশন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, ঢাকায় সকাল ৯টা থেকে ৪টা এই কর্মসূচি পালন করা হবে। আমরা যদি ভালো স্থান পাই সেখানে অথবা সবশেষে কোথাও না পাওয়া গেলে আমাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কর্মসূচি পালন করব।

মির্জা ফখরুল আবারো সরকারের কাছে দাবি রেখে বলেন, খালেদা জিয়া জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন। তিনি বাংলাদেশের মানুষের সবচেয়ে প্রিয় নেতা। চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে যাওয়ার সুযোগ দেয়া হবে নাÑ এটা অমানবিক। আমরা অবিলম্বে তাকে বিদেশে চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।
গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন হয়।

সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, শাহজাহান ওমর, শামসুজ্জামান দুদু, আবদুল আউয়াল মিন্টু জয়নাল আবেদীন,

আহমেদ আজম খান, নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, আমান উল্লাহ আমান, হাবিবুর রহমান হাবিব, আবদুস সালাম, কেন্দ্রীয় নেতা খায়রুল কবির খোকন,

ফজলুল হক মিলন, কামরুজ্জামান রতন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জহির উদ্দিন স্বপন, নাজিম উদ্দিন আলম, আমিনুল হক, রিয়াজউদ্দিন খান নসু, শায়রুল কবির খান প্রমুখ নেতা উপস্থিত ছিলেন।

বাচাইকৃত পোস্ট