হাইতিতে মুসলিম সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ বাড়ছে

পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জের স্বাধীন দ্বীপরাষ্ট্র হাইতিতে ইসলামের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন একাডেমিক এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ইভান আর্নেস্তো গাতান। তার প্রভাব ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রেও দেখা দিতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। দেশটির স্থানীয় এক পত্রিকা এ তথ্য জানিয়েছে।

পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জের স্বাধীন দ্বীপরাষ্ট্র হাইতিতে ইসলামের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন একাডেমিক এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ইভান আর্নেস্তো গাতান। তার প্রভাব ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রেও দেখা দিতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। দেশটির স্থানীয় এক পত্রিকা এ তথ্য জানিয়েছে।

বর্তমানে হাইতিতে প্রায় ৪০টি মসজিদ রয়েছে। দেশটিতে গত ২০ বছরে ইসলাম গ্রহণ করেছে কমপক্ষে ৫০০০ হাইতিয়ান। ২০১৬ সালে হাইতির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং উপাসনা মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে ৩৬টি মসজিদ এবং প্রায় ৫০টি কুরআনিক স্কুল তালিকাভুক্ত করেছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডোমিনিকান ইউনিভার্সিটিগুলোতেও মসজিদের দেখা পাওয়া যায়। ক্যারিবীয় এ দেশটি ছাড়াও ল্যাটিন আমেরিকায়, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা এবং চিলিতে মুসলমানদের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

নোয়াখালী ব্লাড হান্টার) এর উদ্যোগে ছাত্রদের মাঝে কুরআন বিতরণ

Noakhali Blood Hunter (নোয়াখালী ব্লাড হান্টার) এর উদ্যোগে,
নোয়াখালী চাটখিল উপজেলায় বশির দিঘীরপাড় তালিমুল কোরআন মাদ্রাসায় ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে পবিত্র কোরআন শরিফ হাদিয়া দেওয়া হয়েছে।

এতে উপস্থিত ছিলেন
আদদ্বীন সামিন রবিন আসলাম নাইম তারেক সহ অনেকেই।

প্রাধিকারের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি চাটখিলের তাজুল ইসলাম মামুন।

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণি অধিকার এবং জীববৈচিত্র সংরক্ষণ বিষয়ক সংগঠন “প্রাধিকার” এর ৭ম কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।গত বৃহস্পতিবার ( ২ সেপ্টেম্বর ) সন্ধ্যা ৭ঃ৩০ মিনিটে ভার্চুয়াল এক অনুষ্ঠানে ৪১ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।

অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাধিকারের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সম্মানিত সদস্য বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টির সম্মানিত ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মেহেদি হাসান খান,

ভূমি সন্তান বাংলাদেশের সমন্বয়ক আশরাফুল কবীর, প্রাধিকারের সাবেক সভাপতি ডা. বিনায়ক শর্মা এবং ডা. আনিসুর রাহমান।সাবেক সহ সভাপতি আল আমিন আহমেদ রুয়েল।
সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. মহিউদ্দিন রিফাত, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা.মাহদী রাহি।

নতুন কার্যনির্বাহী কমিটিতে সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন ভেটেরিনারি, এনিম্যাল এন্ড বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের লেভেল-৪, সেমিস্টার-১ এর শিক্ষার্থী তাজুল ইসলাম মামুন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন একই অনুষদের লেভেল-৪, সেমিস্টার-১ এর শিক্ষার্থী নীলোৎপল দে।

নতুন কার্যনির্বাহী কমিটিতে অন্যান্য পদে যারা থাকছে, সহ-সভাপতি- তিলোত্তম ভট্টাচার্য্য তূর্য ,মোঃ আকিব, আল ইবনে রিফাত ,তাশফিয়া তাহজীন। জয়েন্ট সেক্রেটারী আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ আসিফ ,আরিফ ইশতিয়াক, মোঃমোশাররফ হোসেন , রুওনক জাহান উন্নতি,মামুনুর রহমান মুন ।

কোষাধ্যক্ষ -মোঃ মাহাদী হাসান, সহকারী কোষাধ্যক্ষ -উসামা ওয়াসিফা রিভু ও তানভীর হাসান।সাংগঠনিক সম্পাদক (ওয়াইল্ডলা­ইফ) -প্রশান্ত দেবনাথ স্বরণ,আব্দুল্লাহ আল মামুন।

সাংগঠনিক সম্পাদক (ডোমেস্টিক­ এন্ড পেট এনিম্যাল)- মোঃ আল ফায়েদুর রহমান , কানন তালুকদার । সাংগঠনিক সম্পাদক (ফিশারিজ)- কাজী রাকিব উদ্দিন সাব্বির, সিদ্দিকুর রহমান সুজন।সংগঠনটির সম্পাদক (জেনেটিক রিসোর্স)- হাঞ্জালা ওসমান নীলয়, আহাদ মোল্লা ।

প্রাধিকার রেস্কিউ উইং হেড -আশরাফুল ইমন, সহকারী রেস্কিউ উইং-তুষার কান্তি, শাকিল মাহমুদ সুপ্ত । ল-কনসার্ন সম্পাদক সোহানুর রহমান, শাকিল আহমেদ । হিউম্যান রিসোর্স সম্পাদক – সূচনা আক্তার, শবনম শায়েস্তা শিফা ।

জনসংযোগ সম্পাদক – আরিজ আহমেদ সাদ, নাহিয়ান রহমান সাদ । এছাড়াও এক্সিকিউটিভ মেম্বারা হলেন- আলিফ আলী জনি, আবদুল্লাহ আল মামু্‌ন, শাওন দেবনাথ নিলয়, প্রমিতোষ দত্ত , পার্থ বিশ্বাস , মো: সাহেকুর রহমান, মো: জাহিদুর রহমান জুয়েল , নাসের ইকবাল , আফসানা মিমি , নাঈম চৌধুরী ।

অতিথিগণ তাদের বক্তব্যে বলেন, প্রাধিকার একটি মহতী সংগঠন যারা বোবা প্রাণীদের অধিকার নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। পূর্ববর্তী ধারা অব্যাহত রেখে নতুন কমিটি এই সংগঠনককে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

এ সময় উপস্থিত শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সর্বসম্মতিক্রমে আগামী এক বছরের জন্য পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে ট্রেন দুর্ঘটনার হাত থেকে বৃদ্ধাকে বাঁচালেন নোয়াখালীর যুবক

স্টাফ রিপোর্টার:-
ট্রেন দুর্ঘটনা বিশ্বে নতুন কিছু নয়। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির পাতাল রেললাইনের ইউনিয়ন স্কয়ার স্টেশনে ঘটে যাওয়া একটি ভিডিও অনলাইনে ভাইরাল হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়,ট্রেন অাসার কয়েক সেকেন্ড অাগে এক বৃদ্ধ লোক হুইলচেয়ার নিয়ে রেল লাইনে পড়ে যায়। লোকটিকে নিরাপদে তুলে নেওয়ার জন্য এগিয়ে অাসেন এক বাংলাদেশি যুবকও একজন যাত্রী। ট্রেন অাসার অাগে ট্র্যাক থেকে নিচে ঝাঁপ দিয়ে বৃদ্ধকে নিরাপদে তুলতে সক্ষম হয় তারা।

হুইলচেয়ারে থাকা বৃদ্ধকে নাটকীয়ভাবে উদ্ধারে সাহায্য করা বাংলাদেশি যুবকের নাম জাবেদ অাহম্মেদ। তিনি নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার সিংবাহুড়া গ্রামের আনোয়ার উল্ল্যা ডাক্তার বাড়ির মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের বড় ছেলে।

ঘটনার ভিডিওটি টুইটারে শেয়ার হলে কয়েক ঘন্টার মধ্যে এক মিলিয়নেরও বেশি বার দেখা হয়।

গত শুক্রবার(৬ অাগষ্ট) ঘটে যাওয়া এই ভাইরাল ঘটনায় যেমন প্রশোংসা কুড়িয়েছে, তেমনি কিছু লোকের সমালোচনাও হয়েছে। যারা সাহায্যের পরিবর্তে ঘটনাটি ভিডিও করতে বেছে নিয়েছে।

লরেন মেনেন (যিনি ভাইরাল ভিডিও রেকর্ড করেছেন)বলছেন,”একজন লোক একদম অ্যাকশনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল,অন্যজন তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে অাসে।” অ্যাকশনে আমিও ছিলাম ‘আমি হাত নাড়ে ট্রেন চালককে সতর্ক করতে ছিলাম। বৃদ্ধ লোকটি অসুস্থ ছিল, তাকে চিকিৎসা করা হয়েছিল।

হোমিও-ইউনানি ডিগ্রিধারীরা ডাক্তার পদবি ব্যবহার করতে পারবেন না

মোঃ ইসমাইল হোসেন সজীব
চাটখিল উপজেলা প্রতিনিধি (নোয়াখালী)
হোমিওপ্যাথিক ও ইউনানি চিকিৎসাশাস্ত্রে ডিগ্রিধারীরা নামের আগে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করতে পারবেন না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত জারি করা রুল খারিজ করে শনিবার (১৪ আগস্ট) বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ ৭১ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করেছেন।

রায়ে এসব বিকল্প চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে পৃথক মন্ত্রণালয় গঠনের পরামর্শ দিয়েছেন আদালত।

রায়ে বলা হয়েছে, দুঃখজনকভাবে এটি লক্ষ্যণীয় যে, এখানে বাংলাদেশ মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০ এর ২৯ ধারা অনুযায়ী বিএমডিসি এর নিবন্ধনভুক্ত মেডিক্যাল বা ডেন্টাল ইনস্টিটিউট কর্তৃক এমবিবিএস অথবা বিডিএস ডিগ্রিধারী ছাড়া অন্য কেউ তাদের নামের পূর্বে ডাক্তার (Dr.) পদবী ব্যবহার করতে পারবেন না।

সেখানে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের ২০১৪ সালের ৯ মার্চ তারিখের সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে ‘অল্টারনেটিভ মেডিক্যাল কেয়ার’ (Alternative Medical Care) শীর্ষক অপারেশনাল প্লানের বিভিন্ন পদে কর্মরত হোমিওপ্যাথি, ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক কর্মকর্তাদের স্ব-স্ব নামের পূর্বে ডাক্তার (ডা.) পদবি সংযোজনের অনুমতি দিয়েছে, যা এক কথায় আইনের কর্তৃত্ব ব্যতীত তথা বেআইনি।

এছাড়াও বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ড কর্তৃক ইংরেজি ২০২০ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বিভিন্ন শাখায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদেরকে তাদের নামের পূর্বে পদবি হিসেবে ডাক্তার (Dr.) ব্যবহারের অনুমতি দেওয়াও বেআইনি।

এর আগে, হোমিওপ্যাথিক ও ইউনানি চিকিৎসা শাস্ত্রে ডিগ্রিধারীরা নামের পূর্বে ডাক্তার ব্যবহারের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ে করেছিলেন। রিটের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত রুল জারি করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম ও অ্যাডভোকেট খোন্দকার নীলিমা ইয়াসমিন। অপরপক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার তানজীব উল আলম।

একজন রক্ত যোদ্ধা সেচ্ছাসেবী মোস্তাফিজুর রহমান

খুলনার কৃতি সন্তান মোস্তাফিজুর রহমান ছোট বেলায় থেকে ছিলেন অত্যান্ত মেধাবী তিনি সব সময় গরিব অসহায়দের সর্মথ্য অনুযায়ী সাহায্য সহযোগিতা করতেন এবং খোজ খবর রাখতেন ছোট থেকেই নিজেকে মানব সেবায় উৎসর্গ করার এক সাহসী যুবকের নাম মুস্তাফিজুর রহমান।

কয়রার মাঠিতে রক্তের অভাবে একটি মানুষ ও যেনো মৃত্যু বরণ না করে। শ্লোগান নিয়ে ২০১৮ সালে কয়রা ব্লাড ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত করা হয় প্রতিষ্ঠিত পর থেকে তিনি নিজ উদ্দেগে একদল তরুনদের কে নিয়ে কয়রার অসুস্থ মানুষের বিনামূল্য রক্তদান করে যাচ্ছেন।

এছাড়া তিনি অসহায় দরিদ্র মানুষের খাদ্য সহায়তা দিতে কয়রা ফুড ব্যাংক নামে একটি সামাজিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে গরিব অসহায় মানুষের মাঝে ত্রান সমগ্রী বিতরণ করে যাচ্ছেন।

আমার দেখা ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড় মেসি :নেইমার

কোপা ফাইনালে মাঠে দুই জনই লড়াই করেছেন নিজেদের সবটুকু দিয়ে। লড়াই শেষে দুই জনই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তবে সব আনুষ্ঠানিকতার শেষে তাদের দেখা যায় চেনা চেহারায়। এক সঙ্গে অনেকটা সময় আড্ডা মারেন লিওনেল মেসি ও নেইমার। পরে ব্রাজিলিয়ান তারকা নিজেই জানালেন, কী কথা হয়েছিল তাদের মাঝে।

এদিকে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা দ্বৈরথ ছাপিয়ে তাদের রয়েছে মধুর এক বন্ধুত্বের সম্পর্ক। যার শুরুটা হয়েছিল নেইমার বার্সেলোনায় যোগ দেয়ার পর থেকে। সময়ের পরিক্রমায় নেইমার ক্লাব ছেড়ে গেলেও তাদের সম্পর্কে কোনো ভাটা পড়েনি।

তাই কোপা আমেরিকার ফাইনালে হেরে দুঃখ ভারাক্রান্ত নেইমার ছুটে যান মেসির কাছে। লম্বা সময় ধরে আলিঙ্গনে সাবেক সতীর্থকে শুভেচ্ছা জানান, জাতীয় দলের হয়ে প্রথম শিরোপা জয়ে। নিজেদের পরাজয়ে হতাশ নেইমার খুশি মেসির অর্জনে।

সমর্থকরা বিভিন্ন উপলক্ষে তুলনা টেনে আনলেও তাদের মধ্যকার সম্পর্কে সেটা কখনোই প্রতিফলিত হয়নি। নেইমারের কাছে মেসি বড় ভাই সমতুল্য। যার কাছ থেকে তিনি শিখেছেন, যা তাকে করেছে সমৃদ্ধ। ফাইনাল শেষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে আর্জেন্টিনা অধিনায়কের প্রতি নেইমার জানিয়েছেন শ্রদ্ধা। বন্ধু ও ভাই মেসির অর্জনে নিজের উচ্ছ্বাসও প্রকাশ করেছেন।

নেইমার বলেন, ‘গতকাল হেরে যাওয়ার পর আমি গিয়ে আমার দেখা সব সময়ের সেরা খেলোয়াড়কে আলিঙ্গন করি, সে আমার বন্ধু ও ভাই মেসি। আমার মন খারাপ ছিল এবং তাকে মজা করে বলি, ‘তুমি আমাকে হারিয়ে দিলে’!’

নেইমার আরও বলেন, “হেরে যাওয়ায় আমি হতাশ, কিন্তু এই মানুষটা (মেসি) অসাধারণ! ফুটবলের জন্য এবং বিশেষ করে আমার জন্য সে যা করেছে সেজন্য তার প্রতি আমার রয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান।”

আরও সংবাদ

বলটি জালের যে জায়গায় লেগেছিল সেই অংশ কেটে দেশে নিয়ে গেলেন ডি মারিয়া

কোপা আমেরিকার খরা কেটেছে আর্জেন্টিনার। এবার কী তবে আর্জেন্টিনার পাখির চোখ বিশ্বকাপে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি এখনও ৫০০দিন। যার কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেল কোপার ফাইনালের আগের দিন থেকেই। এই বছরেই প্রথম গ্রীষ্মে মা বসে ফুটবল বিশ্বকাপের আসর বসতে চলেছে শীতকালে। সেই বিশ্বকাপে সকলের চোখ এখন আর্জেন্তিনার দিকে থাকবে। কারণ সকলের একটাই প্রশ্ন, এই বিশ্বকাপে কী মেসি ও ডি’মারিয়ারা খেলবেন?

ব্রাজিলকে হারিয়ে শিরোপা জেতার পর ডি’মারিয়া বলেন, ‘আমি আমার বাচ্চা, স্ত্রী, বাবা-মা এবং যারা আমাদের অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়েছে তাদেরকে এই শিরোপা উৎসর্গ করছি। তারতারি একটি বিশ্বকাপ আসবে। এটা দিনের আলোর মতোই পরিষ্কার।’

এ সময় নিজের দলনেতা মেসিকে নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। ছয়বারের ব্যালন ডি’অর জয়ীকে নিয়ে ডি’মারিয়া বলেন, ‘এটা সত্যিই অবিস্মরণীয়। মেসি আমাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। আমিও মেসিকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। সে আমাকে বলেছে, এটা আমার ফাইনাল। যেসব ফাইনাল আমি চোটের কারণে খেলতে পারিনি, সেসবের প্রতিশোধ।

এটা আজই হওয়ার ছিল এবং এটাই হয়েছে।’ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বড় কোনও অঘটন না ঘটলে আসন্ন কাতার বিশ্বকাপে দেখা যেতে পারে লিওনেল মেসিকে। সেক্ষেত্রে ২০২২ বিশ্বকাপই হতে পারে এলএমটেনের শেষ বিশ্বকাপ।

এদিকে মজার এক কাণ্ড করলেন ডি মারিয়া। ম্যাচ শেষে কেটে নিয়ে আসলেন ব্রাজিলের গোলপোস্টের জাল। ফাইনালে গোলপোস্টের জাল কাটার রীতি রয়েছে জয়ী দলের। সেই কাজটি ভালোভাবেই সারলেন ডি মারিয়া। এইদিন আর্জেন্টিনার শুরুর একাদশে ছিলেন তিনি। ম্যাচের ২২তম মিনিটে ব্রাজিলের জালে বল ঝরান এই পিএসজি তারকা। বলটি জালের যে জায়গায় গিয়ে লেগেছিল সেই অংশটুকু কেটে দেশে নিয়ে আসেন আর্জেন্টিনার এই পারফেক্ট-ইলেভেন।

টুর্নামেন্টে চার গোল ও পাঁচ অ্যাসিস্ট করা মেসিকে ছাপিয়ে ফাইনালে নায়ক হয়েছেন ডি মারিয়াই। তার গোলই ২৮ বছর পর শিরোপা স্বাদ এনে দিয়েছে আর্জেন্টিনাকে। তার কল্যাণেই সময়ের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত লিওনেল মেসির হাতে ট্রফি উঠেছে। তাই সেই স্মরণীয় গোলের গোলপোস্টের জালটি তিনি কেটে আনতেই পারেন!

ব্রাজিল আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসবেঃ শচীন টেন্ডুলকার

নিঃসন্দেহে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। ৯০ মিনিটের এই খেলায় খেলোয়াড় এবং দর্শকদের মধ্যে বেশ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আর খেলা মানেই রেকর্ড ভাঙ্গার প্রতিযোগিতা। একজন খেলোয়াড়ের রেকর্ড আরেক খেলোয়াড় ভেঙ্গে দিয়ে নতুন রেকর্ড গড়বে, সৃষ্টি করবে নতুন এক ইতিহাস।

নতুন খবর হচ্ছে, ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ধ্রুপদী লড়াই শেষ। দুই দলের লড়াইয়ে শেষ হাসি হেসেছে লিওনেল মেসি। দীর্ঘ ২৮ বছরের খরা কাটিয়ে আর্জেন্টিনা কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতেছে তার হাত ধরেই। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের লড়াই দেখতে উন্মুখ ছিল গোটা বিশ্ব। বাদ যাননি ক্রিকেটাররাও। ভারতীয় ক্রিকেট দলের কিংবদন্তি, লিটল মাস্টার শচীন টেন্ডুলকারের কথাই ধরা যাক। তিনিও বুঁদ হয়েছিলেন মেসি-নেইমারের খেলায়।

খেলা শেষে তাই কোপা আমেরিকার শিরোপাজয়ী মেসিকে অভিনন্দন জানাতে ভোলেননি। আর্জেন্টাইন এই কিংবদন্তির আনন্দ ছুঁয়ে গেছে তাকে। একদিকে যেমন আনন্দিত হয়েছেন তেমনি নেইমারের কষ্টও ছুঁয়ে গেছে তাকে। আর তাই দুজনকে নিয়েই টুইট করেছেন শচীন।

মেসির মতো দীর্ঘ অপেক্ষার পর ক্রিকেটে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন শচীন টেন্ডুলকার। ২০০৩ সালে ফাইনালে উঠেও শিরোপা জয় করা হয়নি শচীনের। অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল তার। তবে সে আক্ষেপ ঘুচেছিল ২০১১ আসরে। সেবার বিশ্বকাপ জয় করে সব সমালোচনার জবাব দিয়েছিলেন লিটল মাস্টার। তার মতো মেসিও দীর্ঘ অপেক্ষার পর বৈশ্বিক কোনো ট্রফি জিতলেন।

মেসিকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি টুইটে শচীন লিখেছেন, ‘কোপা আমেরিকা শিরোপা জেতা আর্জেন্টিনাকে হৃদয় নিংড়ানো শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। এটা আর্জেন্টাইনদের ঐতিহাসিক জয়। মেসির জন্য এটি দারুণ প্রাপ্তি। এভাবেই সবাইকে প্রেরণা দিয়ে যেও মেসি।’

ফাইনালে পরাজয়ের পর কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন ব্রাজিল তারকা নেইমার। মাঠে তাকে জড়িয়ে সান্ত্বনা দিয়েছিলেন প্রতিপক্ষ বন্ধু মেসি। ম্যাচ হারের পর অনেকেরই সহানুভূতি পেয়েছেন তিনি।

শচীন টেন্ডুলকার তাকে নিয়েও একটি টুইট করেন। তিনি লিখেন, ‘আমি ফাইনাল হারের কষ্ট বুঝি। তবে হেরে যাওয়া মানেই পথের শেষ নয়। নেইমার আর ব্রাজিল ঠিকই আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসবে। ঘুরে দাঁড়াবে ওরা!

লাউ এত উপকারী : নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লাউ খুবই পছন্দ করতেন

লাউ আমাদের দেশের একটি জনপ্রিয় সবজি যা অনেকের কাছেই প্রিয় একটি খাবার। লাউ সাধারণত শীতকালে বসতবাড়ির আশপাশে চাষ হয় তবে এখন প্রায় সারা বছরই লাউ চাষ করা হয়।

লাউ একই সঙ্গে সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর একটি সবজি। কারণ লাউয়ে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান ও পানি থাকার পাশাপাশি এতে উপকারি ফাইবার থাকে। লাউ মাছের তরকারি হিসেবে, লাবড়া, নিরামিষ, ভাজি, বড়া কিংবা সালাদ হিসেবেও খাওয়া যায়।

লাউয়ের মতো লাউ শাকেরও নানান রকমের উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ রয়েছে। গর্ভস্থ শিশু, সংক্রমণ, কোষ্ঠকাঠিন্যসহ অন্যান্য রোগ-প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা রাখে এ শাখ।

১. ফলিক এসিড সমৃদ্ধ একটি খাবার হলো লাউ শাক। তাই গর্ভস্থ শিশুর স্পাইনাল কর্ড এবং মস্তিষ্কের বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে ফলিক এসিড সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া প্রয়োজন। এর অভাবে গর্ভস্থ শিশুর স্পাইনাল কর্ডের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়; ফলে প্যারালাইসিস, মস্তিষ্ক বিকৃতি অথবা মৃত শিশুর জন্ম হতে পারে।

২. লাউ শাকে উচ্চ মাত্রার ভিটামিন-সি রয়েছে। ঠাণ্ডা এবং যেকোনো ধরনের সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে ভিটামিন-সি। লাউ শাকে যথেষ্ট পরিমাণে আঁশ থাকে। লাউ শাকের আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করে এবং পাইলস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

৩. উচ্চ মাত্রায় ক্যালসিয়াম থাকায় অস্টিওপোরেসিস এবং অন্যান্য ক্যালসিয়ামের অভাবজনিত রোগের ঝুঁকি কমায় লাউ শাক।

৪. কোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান পটাসিয়াম; যা শরীরে তরলের মাত্রা ঠিক রাখে, হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে। লাউ শাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে; যা হাড় শক্ত ও মজবুত করে।

৫. লাউ শাকে প্রচুর আয়রন রয়েছে। রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ এবং লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে।

লাউ এ যেমন এতো উপকার রয়েছে তেমনি লাউ ছিলো রাসুল সা. এর প্রিয় খাবার৷
যেমন

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লাউ খুবই পছন্দ করতেন ।
শামায়েলে তিরমিযি, হাদিস নং ১১৮

আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)লাউয়ের তরকারী পছন্দ করতেন।
সহীহুল বুখারী ২০৯২ মুসলিম ২০৪১, তিরমিযী ১৮৪৯ আবূ দাউদ ৩৭৮২

এক দর্জি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দাওয়াত করে। তাঁর খাবারের জন্য লাউ মিশ্রিত সারীদ উপস্থিত করা হয়। লাউ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খুব প্রিয় খাদ্য ছিল। এজন্য তিনি লাউ খেতে শুরু করেন।

সাবিত বলেন, আমি আনাস (রাঃ) কে বলতে শুনেছি, এরপর হতে আমার জন্য যে তরকারী রান্না করা হতো, তাতে লাউ দেয়া হতো, যদি তা সম্ভব হতো হতো।
শামায়েলে তিরমিযি, হাদিস নং ২৬২

লাউ তারকারিতে খানা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে যেমন রাসুল সা. বলেন ।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, একবার আমি নবী এর কাছে গিয়ে দেখলাম যে, লাউ কেটে টুকরো টুকরো করা হচ্ছে। আমি বললাম, এর দ্বারা কী হবে? তিনি বললেন, এর দ্বারা আমরা আমাদের খানা বৃদ্ধি করব।

এই পৃথিবীতে আবার জন্মালে ‘কোরআনের হাফেজ’ হতে চাই: তাসকিন

সাধারণ মানুষের মতো ক্রিকেটারদের জীবনও র’ক্ত-মাংসে গড়া। একজন মানুষ হিসেবে তাদের শখ, পছন্দ-অপছন্দ ছিলো শৈশবে।

আট-দশটা বাঙালি কিশোরের মতো বেড়ে উঠেছে দুরন্তপনায়। এই যেমন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদ।

ক্রিকে’টের বাহিরে নানান রঙের গল্প আছে এই পেসারের। যদি তিনি আবার জন্মাতেন তাহলে খেলার পাশাপাশি কোরআনে হাফেজ হতেন।

এছাড়া নিজের পছন্দের মানুষের সাথে প্রেম করেছেন নয় বছর। সেই মানুষকে বিয়ে করেছেন এই পেসার। তার পছন্দের ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজা এবং ফুটবলার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

এমন অনেক গল্প জানিয়েছেন অনলাইন ভিত্তিক একটি গণমাধ্যম’কে। নিম্নে তাসকিনের ক্রিকেট ক্যারিয়ারের বাহিরের গল্প তুলে ধরা হলো-

স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে তাসকিন আহমেদ: কিং খালেদ ইনস্টিটিউট, স্টাম্পফোর্ড ইউনিভার্সিটি, আমেরিকান ইউনিভার্সিটি, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি (হাসি), এই দুটিতেই আছি। গ্র্যাজুয়েশন কোনটা থেকে কমপ্লিট করব এখনো শিওর না। অন্যটাতেও ভর্তি হতে পারি।

সবচেয়ে দুঃখের দিন কোনদিন? তাসকিন আহমেদ: যেদিন ১৯ বিশ্বকাপে (২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপ) শুনেছি আমি দলে নেই।

এক সপ্তাহের জন্য রাজা হলে কী করবেন? তাসকিন আহমেদ : এক সপ্তাহের জন্য রাজা হলে? দুনিয়ার সব দু’র্নীতি উঠায়ে দিতাম আর গরিব থাকত না ওই অবস্থা করতাম মানে সাধ্যমতো। বি’পদে পড়লে সবার প্রথমে কাকে ফোন দেবেন? তাসকিন আহমেদ : বাবাকে।

কোন ক্রিকেটার এবং ফুটবলার কে পছন্দ করেন? তাসকিন আহমেদ : পছন্দের ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা। ফুটবলার সিআরসেভেন।
বাংলাদেশ জাতীয় দলে বন্ধু ক্রিকেটার কে? তাসকিন আহমেদ : সৌম্য, মোসাদ্দেক, এনামুল বিজয়।

অটোগ্রাফ না সেলফি দেওয়া সহজ? তাসকিন আহমেদ : সেলফিটাই ইজি আসলে। অটোগ্রাফের ব্যাপারটা হলো অনেক সময় সবাইকে দেওয়া যায় না। হাতও ব্যথা হয়। সেলফিটাই ইজি এখন।

মেসি বা রোনালদোর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলে সঙ্গী হিসেবে কাকে নেবেন? তাসকিন আহমেদ : আমার ছেলেকে। ওর সঙ্গে একটা ছবি তুলে রেখে দিলে ও বড় হয়ে ওর বন্ধুদের দেখাতে পারবে। বলতে পারবে, দেখ ব্যাটা কার সঙ্গে ছবি তুলেছি (হাসি)।

নিজের সবচেয়ে বড় গুণ, দোষ? তাসকিন আহমেদ : একটা গুণ যদি বলা হয়, আমি মানুষকে দ্রুত ক্ষমা করতে পারি। রাগ করে থাকতে পারি না বেশিক্ষণ। দোষ যদি বলা হয়, মানুষের কথাগুলা গায়ে লাগে, কয়েক দিন ধরে মাথায় থেকে যায়।

আজকের এই অবস্থানে আসার পেছনে কার অবদান সবচেয়ে বেশি? তাসকিন আহমেদ : আমার বাবার অনেক অবদান।

সেলিব্রিটি লাইফ কতটা উপভোগ করেন? তাসকিন আহমেদ : এটা আলহামদুলিল্লাহ। এটা একটা বিশাল বড় পাওয়া। অনেক টাকা থাকলেও কিন্তু এটা অনেকে পায় না।

বাচাইকৃত পোস্ট